জামায়াতে ইসলামী প্রতিহিংসার রাজনীতি করে না বলে মন্তব্য করেছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, বিগত আওয়ামী সরকারের আমলে অন্যতম নির্যাতিত মজলুম দল ছিল এ জামায়াতে ইসলামী। কিন্তু জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে এ দলের কোনো নেতাকর্মী প্রতিহিংসামূলক রাজনীতি করেনি।
আজ রোববার শেরপুর শহরের দারোগ আলী পৌর পার্ক মাঠে ১১ দলীয় ঐক্যজোট আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জামায়াত আমির বলেন, আমার এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে মা-বোনদের নিয়ে অত্যন্ত অরুচিকর-কুরুচিকর মন্তব্য প্রকাশ করা হয়েছে। আবার এ ঘটনায় একটি দল হৈ-হৈ-রৈ-রৈ করে মিছিল শুরু করে দিয়েছে। আমি সাবধান করে দিচ্ছি- যারা মা-বোনদের অপমান করছেন, বাংলাদেশের জনগণ ব্যালটের মাধ্যমে তাদের জবাব দেবে।
সমাবেশে নারী কর্মীদের উদ্দেশ্যে জামায়াত আমির বলেন, মায়ের শরীরে হাত দিলে বাংলাদেশ বিস্ফোরিত হবে। যারা নারীদের বিবস্ত্র করতে চায় তারা মানুষ নয়, অমানুষ। জামায়াত নির্বাচিত হলে নারীদের ঘর, চলাচল ও কর্মস্থল নিরাপদ করবে বলেও জানান তিনি।
তরুণদের বিষয়ে তিনি বলেন, ক্ষমতায় এলে জামায়াত বাংলাদেশের সব জেলায় মেডিকেল কলেজ স্থাপন করবে। আগামীর বাংলাদেশে আমরা যুবকদের পাইলট বানিয়ে যাত্রী হয়ে আকাশে উড়ব। আমরা সরকার গঠন করতে পারলে যে পেশার যত ওজন, বেতন-ভাতা সেভাবেই উন্নীত করা হবে।
তিনি বলেন, কোনো চাঁদাবাজ-বাটপারের সঙ্গে আমাদের সম্পর্কে থাকবে না। দলীয়ভাবে আমরা কোনো প্রতিশোধ নেব না। এছাড়া কোনো মামলা বাণিজ্য করব না।
সভায় আরো বক্তব্য দেন জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা হাফিজুর রহমান, সাবেক সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুল বাতেন, শেরপুর-১ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী হাফেজ রাশেদুল ইসলাম, শেরপুর-২ আসনের প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া, শেরপুর-৩ আসনের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল।