ওই সময়ে ভেঙে তছনছ হয়ে যায় দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌ-রুটের দৌলতদিয়া প্রান্তে থাকা ৫ নম্বর ফেরিঘাটটি। তারপর থেকেই ঘাটটি পুরোপুরি বন্ধ। এবার ঈদুল আজহা উপলক্ষে ও সক্ষমতা বাড়াতে প্রায় চার বছর বন্ধ থাকা ঘাটটি সচল করার উদ্যোগ নিয়েছে ঘাট কর্তৃপক্ষ।
বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, দেশের গুরুত্বপূর্ণ দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌ-রুটের দৌলতদিয়া প্রান্তে সাতটি ঘাট রয়েছে। পদ্মার ভাঙনের কারণে দীর্ঘদিন ধরে চারটি ঘাট বন্ধ আছে। বাকি ৩ নম্বর, ৪ নম্বর ও ৭ নম্বর ঘাট দিয়ে চলছে পারাপার। এবার সক্ষমতা বাড়াতে বন্ধ থাকা ৫ নম্বর ঘাটটি সচল করতে পুরোদমে কাজ চলছে। গতকাল সকালে দৌলতদিয়ার ৫ নম্বর ঘাটে সরজমিনে দেখা যায়, ঘাটটি সচল করতে আগের অ্যাপ্রোচ সড়কের সঙ্গে পুরোদমে কাজ করছেন বিআইডব্লিউটিএর কর্মচারীরা। এ সময় কর্মচারীরা জানান, ঈদযাত্রা শুরু হওয়ার আগেই ঘাটটি সচল করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। যে কারণে এখন পুরোদমে কাজ চলছে।
এ সময় দৌলতদিয়া ঘাট এলাকার বাসিন্দা নুরউদ্দিন নুরু বলেন, ‘২০২২ সালের ঘূর্ণিঝড়ের কারণে ভাঙনে শুধু ঘাট নয়, এ ঘাটের ব্যবসায়ীরাও পথে বসেছিলেন। অনেকের মালামালসহ দোকান নদীতে চলে গেছে। সরকার ঘাটটি চালু করার উদ্যোগ নিয়েছে, সেজন্য ধন্যবাদ জানাই। তবে ঘাট চালু করার আগে নদীর অংশে জিও ব্যাগ ফেলে কাজ করলে সামনে বর্ষা মৌসুমে আর ভাঙনের কবলে পড়ত না। নয়তো আবারো ঝুঁকির মধ্যেই থেকে যাবে।’
আরেক বাসিন্দা দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘ঘাটটি চালু হলে আবার এ অংশ প্রাণ ফিরে পাবে। ঘাটের ব্যবসায়ীরা আবার ব্যবসা-বাণিজ্য করতে পারবেন। পাশাপাশি সামনে ঈদে ঘাটে এসে ফেরিগুলোকে আর অপেক্ষায় থাকতে হবে না। দৌলতদিয়া প্রান্তের ঘাট সংকট দূর হবে।’
বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাটের ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন বলেন, ‘২০২২ সালে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে ভেঙে যাওয়া ঘাটটি সচল করার উদ্যোগ নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।’