আমরা সেই জনরায় বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি।’
গতকাল বিকালে ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ‘সমতাভিত্তিক আঞ্চলিক উন্নয়ন’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি। ফরিদপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান মোল্লার সভাপতিত্বে সভায় ফরিদপুর, মাদারীপুর, শরীয়তপুর, গোপালগঞ্জ ও রাজবাড়ী জেলার প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় উপদেষ্টা বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিশেষ কিছু পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন। প্রথমত, রাষ্ট্র ব্যবস্থা সংস্কার; দ্বিতীয়ত, আর্থসামাজিক উন্নয়ন ও রাষ্ট্রীয় সক্ষমতা বৃদ্ধি; তৃতীয়ত, ভঙ্গুর অর্থনীতি পুনরুদ্ধার ও পুনর্গঠন; চতুর্থত, সমতাভিত্তিক আঞ্চলিক উন্নয়ন এবং পঞ্চমত, ধর্মীয় সাংস্কৃতিক ক্রিয়ার মাধ্যমে বিভাজনের পরিবর্তে সংগতিপূর্ণ সমাজ নির্মাণ।’
তিনি বলেন, ‘আপনারা জানেন দক্ষিণ এশিয়ায় অনেক সময় বলা হয়েছে যে অঞ্চলে অঞ্চলে বৈষম্য বিরাজ করত। কিন্তু কখনই কোনো রাজনৈতিক দল বা জোট এ আঞ্চলিক বৈষম্য দূরীকরণে তেমন কোনো ব্যবস্থা বা উদ্যোগ নেয়নি। বাস্তবতাকে সামনে রেখে আমরা সমতার ভিত্তিতে আঞ্চলিক উন্নয়ন করায় অঙ্গীকারবদ্ধ হয়েছি। তারই অংশ হিসেবে আপনারা এরই মধ্যে লক্ষ করেছেন উত্তরাঞ্চলে দুটি বিভাগ রংপুর ও রাজশাহীতে এ ধরনের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।’
অধ্যাপক তিতুমীর বলেন, ‘এ রকম একটা সংকট সময়ের মধ্যেও জনকল্যাণকে এক নম্বর এজেন্ডা হিসেবে প্রধানমন্ত্রী নিয়েছেন এবং বারবার সেগুলো বাস্তবায়ন করছেন। মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকেই ১০ হাজার টাকা কৃষকদের জন্য কৃষি ঋণ মওকুফ করেছেন। নারীর অগ্রগতির মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন ও প্রগতির পরিমাণ করা যায়, সেই জন্যই ফ্যামিলি কার্ড চালু করা হয়েছে। প্রতিটি মানুষের অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার। পতিত সরকারের সময়ে দুগ্ধজাত খামারিদের, মৎস্যজীবীদের কখনো সম্মান করা হয়নি। বাংলাদেশে এই প্রথম সর্বজনীন ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি।’
এ সময় তিনি জানান, পিছিয়ে পড়া এলাকাকে এগিয়ে নিতে সরকার কাজ করছে।