মাগুরায় মোটরসাইকেল ও শ্যালো ইঞ্জিনচালিত গাড়ির সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে শালিখা উপজেলার তালখড়ি ইউনিয়নের নাঘোসা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এছাড়া গতকাল সকালে বাগেরহাটে বাসচাপায় এক শিক্ষক নিহত হয়েছেন। এ সময় বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ ও বাসটি ভাংচুর করে।
মাগুরা সদর থানার এসআই মিনারুল ইসলাম জানান, শালিখার শিংড়া বাজার থেকে একটি শ্যালো ইঞ্জিনচালিত গাড়ি আড়পাড়ার দিকে যাচ্ছিল। পথে নাঘোসা এলাকায় পৌঁছলে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মোটরসাইকেলের দুই আরোহী এবং রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একজন পথচারী গাড়ির নিচে চাপা পড়েন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতদের মধ্যে একজন আবু হুরায়রা (২১)। তিনি শালিখার পাথরঘাটা গ্রামের বাকিয়ার বিশ্বাসের ছেলে। নিহত অন্যজনের পরিচয় জানা যায়নি। তিনি দুর্ঘটনার সময় রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।
অন্যদিকে বাগেরহাটের সাইনবোর্ড-বগী আঞ্চলিক মহাসড়কে বাসচাপায় আছাদুর রহমান নামে এক শিক্ষক নিহত হয়েছেন। গতকাল সকালে মোরেলগঞ্জ থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে আসা দোলা পরিবহনের একটি বাস কচুয়া উপজেলার মোল্লাবাড়ি নামক স্থানে বিপরীত দিক থেকে মোটরসাইকেলে আসা ওই শিক্ষককে চাপা দেয়। এতে ওই শিক্ষক গুরুতর আহত হন। পরে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। তবে ঘটনার পর পরই বাসের চালক ও হেলপার পালিয়ে যান। এ ঘটনার পর শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করে রাখে। স্থানীয়দের মধ্যস্থতায় ঘণ্টা দুয়েক অবরোধের পর বেলা ১১টার দিকে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
নিহত আছাদুর রহমান দৈবজ্ঞহাটি বিশ্বেশ্বর বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের সহকারী শিক্ষক। তার বাড়ি সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলার সাতবসু গ্রামে। এক বছর আগে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটিতে তিনি নিয়োগ পান। কচুয়া উপজেলার সাইনবোর্ড এলাকায় পরিবারসহ ভাড়া থাকতেন তিনি। কচুয়া থানার ওসি মো. শামীম আহমেদ খান দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।