বৈঠকে সংগঠনটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে, খাতটির প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে প্রয়োজনীয় নীতিগত সহায়তার একটি সনদ (চার্টার অব পলিসি সাপোর্টস) শিগগিরই সরকারের কাছে তুলে দেয়া হবে।
বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খানের সভাপতিত্বে গতকাল উত্তরা কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত জরুরি পরিচালনা পর্ষদ সভায় সাম্প্রতিক সময়ে রফতানি আয়ের ধারাবাহিক পতনের কারণ এবং উত্তরণের উপায় নিয়ে আলোচনা হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে বাংলাদেশের উত্তরণ এবং তা পিছিয়ে যাওয়ার অনিশ্চয়তা আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের মধ্যে নতুন করে সংশয় তৈরি করেছে। একই সঙ্গে ভারতের ক্রমবর্ধমান প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ও সম্ভাব্য নতুন বাণিজ্য চুক্তিগুলোও বাংলাদেশের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে।
বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বণিক বার্তাকে বলেন, ‘স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে বাংলাদেশের উত্তরণ এবং তা পিছিয়ে যাওয়ার অনিশ্চয়তা আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের মধ্যে নতুন করে সংশয় তৈরি করেছে। একই সঙ্গে ভারতের ক্রমবর্ধমান প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ও সম্ভাব্য নতুন বাণিজ্য চুক্তিগুলোও বাংলাদেশের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে। এসব কিছুর প্রেক্ষাপটে সরকারকে নীতিগত সহায়তার একটি সনদ (চার্টার অব পলিসি সাপোর্টস) দেয়া হবে। যেখানে ভারতের পাশাপাশি ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়ার মতো প্রধান প্রতিযোগী দেশের তুলনায় বাংলাদেশের সুবিধা ও সীমাবদ্ধতাগুলোও তুলে ধরা হবে। এর মাধ্যমে তৈরি পোশাক খাতের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ধরে রাখা এবং রফতানি প্রবৃদ্ধি পুনরুদ্ধারের জন্য প্রয়োজনীয় নীতিগত পদক্ষেপের সুপারিশ করা হবে।’