সুন্দরবন-ষাটগম্বুজ দেখে মুগ্ধ ১৫ দেশের রাষ্ট্রদূত

বাগেরহাটের মানুষ অত্যন্ত সৌভাগ্যবান। বিশ্ব ঐতিহ্যের অন্যতম দুটি স্থানই রয়েছে বাগেরহাটে। একটি সুন্দরবন, অন্যটি ষাটগম্বুজ মসজিদসহ খানজাহানের অন্যান্য স্থাপনা। আমাদের সঙ্গে এখানে ১৫টি দেশের রাষ্ট্রদূত এবং দুটি সংস্থার প্রতিনিধি এসেছেন। তারা সবাই দেশের এই প্রাকৃতিক ও ঐতিহাসিক স্থাপনা দেখে মুগ্ধ হয়েছেন।

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি বাংলাদেশের অন্যতম নিদর্শন ষাটগম্বুজ ও সুন্দরবন দেখে মুগ্ধ হয়েছেন বিভিন্ন দেশে রাষ্ট্রদূত ও প্রতিনিধিরা। আজ মঙ্গলবার মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন আয়োজিত মুজিব ফ্যামিলাইজেশন ট্যুরের অংশ হিসেবে তারা বাগেরহাট ঘুরতে আসেন। প্রতিনিধি দলে ছিলেন বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী। এসময় জেলা প্রশাসক মো. আজিজুর রহমান সকল রাষ্ট্রদূত ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের ফুলের শুভেচ্ছা জানান। 

প্রতিনিধি দলে ইন্দোনেশিয়া, ইরাক, ইতালি, থাইল্যান্ড, দক্ষিণ কোরিয়া, ফিলিপাইন, নেপাল, পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও দুটি সংস্থার প্রতিনিধি অংশ নেন।

ভ্রমণ শেষে বিকালে দেশের প্রাকৃতিক ও ঐতিহাসিক স্থাপনা দেখে অতিথিরা মুগ্ধ হয়েছেন বলে জানান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী । তিনি বলেন,ঐতিহ্য সুরক্ষিত করতে সরকার কাজ করছে। কোনোভাবেই ঐতিহাসিক স্থাপনা নষ্ট করতে দেয়া হবে না। 

তিনি আরও বলেন, বাগেরহাটের মানুষ অত্যন্ত সৌভাগ্যবান। বিশ্ব ঐতিহ্যের অন্যতম দুটি স্থানই রয়েছে বাগেরহাটে। একটি সুন্দরবন, অন্যটি ষাটগম্বুজ মসজিদসহ খানজাহানের অন্যান্য স্থাপনা। আমাদের সঙ্গে এখানে ১৫টি দেশের রাষ্ট্রদূত এবং দুটি সংস্থার প্রতিনিধি এসেছেন। তারা সবাই দেশের এই প্রাকৃতিক ও ঐতিহাসিক স্থাপনা দেখে মুগ্ধ হয়েছেন। 

প্রতিনিধি দলে থাকা ঢাকায় কর্মরত নেপালি অ্যাম্বাসির কুমার রায় বলেন, বাংলাদেশের ষাটগম্বুজ মসজিদ ঘুরতে এসে আমি মুগ্ধ হয়েছি। এটার স্থাপত্যশৈলী অসাধারণ। আমি বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করেছি। তবে এই মসজিদের স্বতন্ত্র স্থাপত্যশৈলী এবং ঐতিহাসিক গুরুত্ব বিবেচনায় এটি আমার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভ্রমণ। আমি বিশ্বের সকল পর্যটকদের অনুরোধ করব, এই স্থাপনাগুলো ঘুরে দেখার জন্য। 

আরও