সম্প্রতি
নদী রক্ষা কমিশনের জরিপে উঠে আসা ২ হাজার ৪০০ দখলদারের নাম প্রকাশের দাবি
জানিয়েছেন রিভার অ্যান্ড ডেল্টা রিসার্চ সেন্টারের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ এজাজ। বাংলাদেশ রিভার ফাউন্ডেশনের (বিআরএফ) সঙ্গে যৌথ আয়োজনের এক আলোচনা সভায় এ দাবি জানান তিনি।
কর্ণফুলী
নদীর দূষণ ও দখল রোধে নাগরিক অংশীদারিত্ব এবং সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে শনিবার
(২১ জানুয়ারি) ওই গোল টেবিল আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
রিভার অ্যান্ড ডেল্টা রিসার্চ সেন্টারের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ এজাজের সভাপতিত্বে সভার
সঞ্চালনা করেন কর্ণফুলী সুরক্ষা পরিষদের সভাপতি কামাল পারভেজ। সভায় দখল দূষণের
বাস্তবতা তুলে ধরে একটি গবেষণা উপস্থাপন করেন চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি
বিশ্ববিদ্যালয়ে সহযোগী অধ্যাপক ড. মো আবুল হাসান। এছাড়া সেখানে বিশেষ আলোচক হিসেবে
উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণীবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড.
মঞ্জুরুল কিবরিয়া।
সভায়
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘কর্ণফুলী
নদী নিয়ে নানান আলোচনা-সমালোচনা হলেও কাজের কাজ কিছুই হয়ে ওঠে না। কারণ
চট্টগ্রামের একমাত্র প্রধান সমস্যা সমন্বয়হীনতা।’
চট্টগ্রাম
উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ও সেনাবাহিনী কর্ণফুলী নদীর সঙ্গে সংযুক্ত ৩৭টি খালে পরিচালিত
জলাবদ্ধতা প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ করছে জানিয়ে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্যানেল
মেয়র মো গিয়াসউদ্দিন বলেন, ‘যেহেতু
সিডিএ বা সেনাবাহিনী নির্বাহী আদেশে কাজ করে ফলে সমন্বয়ের কোনো বিকল্প নেই।’
সভায়
বক্তব্য রাখেন কাউন্সিলর কাজী মো নুরুল আমিন মামুন, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের
নগর পরিকল্পনাবিদ সাইয়িদ ফুয়াদুল খলিল আল
ফাহমি, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আশিকুল ইসলাম।
এছাড়া
সভায় উপস্থিত ছিলেন নদী গবেষক ইদ্রিস আলী, পরিবেশ সংগঠক হাসান মারুফ রুমী, সাংবাদিক
নুর মোহাম্মদ রানা,
জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের ফেলো মনির হোসেন চৌধুরী, ডেভেলপমেন্ট
রিসার্চার আমিনুর রসুল,
বাংলাদেশ রিভার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মো. মোনির হোসেন, নদী
আধিকার মঞ্চের সদস্য সচিব শমশের আলি, রিভার বাংলার লেখক ও সম্পাদক ফয়সাল
আহমেদ, পরিবেশ
ও নদী রক্ষা উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এইচ এম সুমন, পরিবেশ
সংগঠক হাসান মারুফ রুমী,
সাংবাদিক নুর মোহাম্মদ রানা, কর্ণফুলী সাম্পান মাঝি ফেডারেশনের সভাপতি পেয়ার আলী, কর্ণফুলী সুরক্ষা পরিষদের সাধারণ
সম্পাদক শেখ দিদারুল ইসলাম, সাংবাদিক
এম আর আমিন, সাংবাদিক
মাজহারুল ইসলামসহ আরো অনেকে।