বাস পোড়ানো মামলার আসামি তালিকায় ভাসাবির মালিকসহ তিন ব্যবসায়ী

অভিজাত ফ্যাশন হাউস ভাসাবির স্বত্বাধিকারী কামাল জামান মোল্লাকে বাস পোড়ানো মামলায় আসামি করা হয়েছে। এছাড়াও এই মামলায় আসামি করা হয়েছে ঢাকা হোটেল ও রেস্টুরেন্টের স্বত্বাধিকারী মো শাজাহানসহ ৩৪ জনকে। পুলিশ বলছে, অগ্নিসংযোগ, জালাও পোড়াও এর মতো কর্মসূচি সফল করে তুলতে প্রয়োজনীয় অর্থের যোগান নিশ্চিত করতে এ ধরণের ব্যবসায়ীদের সম্পৃক্ততা তৈরি করেছে দলটি। তবে বিএনপির দাবি, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে স্বেচ্ছায় যোগ যুক্ত হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।

অভিজাত ফ্যাশন হাউস ভাসাবির স্বত্বাধিকারী কামাল জামান মোল্লাকে বাস পোড়ানো মামলায় আসামি করা হয়েছে। এছাড়াও এই মামলায় আসামি করা হয়েছে ঢাকা হোটেল ও রেস্টুরেন্টের স্বত্বাধিকারী মো শাজাহানসহ ৩৪ জনকে। পুলিশ বলছে, অগ্নিসংযোগ, জালাও পোড়াও এর মতো কর্মসূচি সফল করে তুলতে প্রয়োজনীয় অর্থের যোগান নিশ্চিত করতে এ ধরণের ব্যবসায়ীদের সম্পৃক্ততা তৈরি করেছে দলটি। তবে বিএনপির দাবি, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে স্বেচ্ছায় যোগ যুক্ত হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।  

বিএনপির ডাকা অবরোধের মধ্যে বুধবার রাতে গুলশানে বৈশাখী পরিবহনের একটি বাসে আগুন দেয়া হয়। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার ( ২ নভেম্বর) গুলশান থানায় একটি মামলা করেছে পুলিশ। গুলশান থানার উপ পরিদর্শক রায়হানুল ইসলাম সৈকত বাদি হয়ে করা মামলায় আসামি করা হয়েছে ৩৪ জনকে। এরমধ্যে এক নম্বর আসামি করা হয়েছে ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি আবু আশফা। দুই নম্বর আসামি করা হয়েছে ভাসাবির স্বত্বাধিকারী কামাল জামান মোল্লাকে। এছাড়াও এই মামলায় আসামি করা হয়েছে ঢাকা হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টের স্বত্বাধিকারী মো শাজাহান, খাজা এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মইনুল হাসান নিশু। 

২০০৮ সালের সংসদ নির্বাচনে ঢাকা ১৭ (গুলশান-বনানী-ক্যান্টনমেন্ট-ভাষানটেক) আসনে বিএনপির প্রার্থী ছিলেন দলের স্থায়ী কমিটির সাবেক সদস্য মরহুম আ স ম হান্নান শাহ। তার মৃত্যুর পর এই আসনে বিএনপির পক্ষে নানাভাবে নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে শুরু করেন কামাল জামান মোল্লা। এছাড়া দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা পরিচালনা ও নির্যাতিত নেতাকর্মীদের সহযোগিতাও করেন তিনি। সমাজের অভিজাত এলাকা হিসেবে পরিচিত গুলশান বনানী এলাকার বিভিন্ন স্তরে রয়েছে তার যোগাযোগ। ব্যবসায়িক কারণে সবার কাছে জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতাও রয়েছে। সামাজিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে গুলশান, বনানী ক্লাবের মতো প্রভাবশালী এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলোতেও তিনি যুক্ত রয়েছেন।

ঢাকা-১৭ (গুলশান-বনানী-ক্যান্টনমেন্ট-ভাষানটেক) নির্বাচনী আসনে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন চেয়েছিলেন কামাল জামান মোল্লা। তার পোস্টার-ব্যানার ছাড়াও তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে ভালো যোগাযোগ রয়েছে। বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দের সঙ্গে তার ভালো যোগাযোগ রয়েছে। 

ঢাকা ১৭ আসনের ভোট ব্যাংক হিসেবে পরিচিত কুড়িল বস্তিতে জামান মোল্লার নিজ এলাকা মাদারীপুরের বহু মানুষ বসবাস করেন। যাদের প্রায় সবাই এখানকার ভোটার। তাদের সমস্যা কিংবা যেকোনো উৎসবে এগিয়ে আসেন জামান মোল্লা। এইভাবেই তিনি গুলশান বনানী ক্যান্টনমেন্ট এবং ভাষানটেক এলাকায় বিএনপির কার্যক্রমকে সক্রিয় রাখতে ভূমিকা রাখেন।

আরও