ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফারুক আহমেদ বলেছেন, গতকাল মেট্রোর ছাদে ওঠার ঘটনার পাঁচ থেকে সাত মিনিটের মধ্যে ডিএমটিসিএলের ফেসবুকের মাধ্যমে জানানো হয়েছে। তবে অত অল্প সময়ের মধ্যে সঠিক তথ্য দেয়ার মতো আমাদের যোগ্যতা নেই। শিশুটি কোন স্টেশন থেকে উঠছে এটা ধরতে আমাদের ১৫ থেকে ২০ মিনিট লেগেছে।
সোমবার (১ ডিসেম্বর) দুপুরে উত্তরা মেট্রোরেলের ডিপোতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক।
গতকালের ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে এমডি জানান, শনিবার রাতে মেট্রোরেলের ছাদে এক শিশুকে পাওয়া যায়। ভিডিও ফুটেজে প্রাথমিকভাবে দেখা যায়, ছেলেটি সম্ভবত কারওয়ান বাজার এলাকার কোনো স্থান থেকে ট্রেনে ওঠে আগারগাঁও পর্যন্ত আসে। আগারগাঁও স্টেশনে সে ট্রেন বদলায়। স্বাভাবিক প্রবেশপথ ব্যবহার না করে দুটি কোচের মাঝের ফাঁক দিয়ে সে ওপরে উঠে পড়ে। সচিবালয় স্টেশনে পৌঁছানোর পর তাকে ছাদে দেখা গেলে কর্তব্যরত নিরাপত্তাকর্মীরা তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি জানান। বৈদ্যুতিক লাইনে সংযোগ না থাকায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো গেছে।
পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ হতে পারত জানিয়ে সবাইকে সচেতনভাবে চলার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
ফারুক আহমেদ বলেন, তবে শিশুটি কোথা থেকে উঠেছে সেটি জানতে ভিডিওগুলো আরো বিশ্লেষণ করতে হবে। এটা নিয়ে তদন্ত হচ্ছে।
বিয়ারিং প্যাড পড়ে যাওয়ার তদন্ত কমিটি প্রসঙ্গে এমডি বলেন, ধীরে ধীরে নতুন নতুন তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। বিয়ারিং পরীক্ষা–নিরীক্ষার জন্য সেটি বিদেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আসার অপেক্ষায় তদন্ত কমিটির মেয়াদ বাড়িয়ে ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত করা হয়েছে।
সম্প্রতি ভূমিকম্পের বিষয়ে ফারুক আহমেদ বলেন, ভূমিকম্পের পরে পুরোটাই পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে। কোথাও কোনো ফিজিক্যাল ডিসপ্লেস হয়নি। তবে মেট্রোর ওয়াল কেন ফেটেছে সেটা আমি বলতে পারব না।