প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও ফ্রিল্যান্সারদের আয়ের ওপর ভ্যাট সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাহার করার ঘোষণা দেয়া হয়েছে। এছাড়া স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠানের স্থান ও স্থাপনা ভাড়া এবং সেবা আমদানির ওপরও পূর্ণাঙ্গ ভ্যাট (মূসক) অব্যাহতির প্রস্তাব করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপনের সময় এ প্রস্তাব তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
তিনি বলেন, দেশের লাখ লাখ তরুণ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সৃজনশীল কন্টেন্ট তৈরি করে আয় করছেন, তারা দেশের ডিজিটাল অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তরুণ প্রজন্মের উদ্যম ও সৃজনশীলতাকে উৎসাহ প্রদান এবং উদ্ভাবনী প্রযুক্তিকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠান, কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও ফ্রিল্যান্সারদের সম্পূর্ণ ভ্যাট অব্যাহতি প্রদানের প্রস্তাব করছি।
এক্ষেত্রে স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠানের স্থানীয় পর্যায়, সেবা আমদানি এবং স্থান ও স্থাপনা ভাড়া গ্রহণের ক্ষেত্রে ১৫ শতাংশ করে আরোপিত ভ্যাট সম্পূর্ণ অব্যাহতি প্রদানের প্রস্তাব করা হয়। একই সঙ্গে কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও ফ্রিল্যান্সাদের প্রদত্ত সেবার ওপর আরোপিত ১৫ শতাংশ ভ্যাট সম্পূর্ণরূপে অব্যাহতি প্রদাণের প্রস্তাব করা হয়। ২০৩৫ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত এ ভ্যাট অব্যাহতি থাকবে বলে বাজেট প্রস্তাবে উপস্থাপন করা হয়।