দৌলতদিয়া ঘাটে নদীতে বাস: মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৮

রাত ২টা পর্যন্ত ১৮ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে ফায়ার সার্ভিস। এখনো অনেকে নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের উদ্ধারে অভিযান চলছে।

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পন্টুনে ওঠার সময় যাত্রীবাহী সৌহার্দ্য পরিবহনের ঢাকাগামী একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে তলিয়ে গেছে। এ ঘটনায় বুধবার দিবাগত রাত ২টা পর্যন্ত ১৮ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে ফায়ার সার্ভিস। এখনো অনেকে নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের উদ্ধারে অভিযান চলছে।

জানা গেছে, সৌহার্দ্য পরিবহনের বাসটি ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেছিল কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে। সে সময় যাত্রী ছিলেন মাত্র ছয়জন। এরপর বিভিন্ন কাউন্টার থেকে যাত্রী ওঠানো হয়। সব মিলিয়ে বাসটি কমপক্ষে ৫২ জন যাত্রী ছিলেন বলে কাউন্টার মাস্টার জানিয়েছেন। বিকাল ৪টা ৪৫ মিনিটে দৌলতদিয়া ঘাটে পন্টুন থেকে পদ্মায় পড়ে যায় বাসটি। এ সময় যাত্রীদের কয়েকজন পানির ওপর উঠে আসতে পারলেও অধিকাংশই ভেতরে আটকা পড়েন।

উদ্ধারকর্মীদের চেষ্টায় রাত সোয়া ১১টার দিকে বাসের একটি অংশ দৃশ্যমান হয়। সাড়ে ১১টা নাগাদ পুরো বাসটি জাহাজ হামজার ক্রেন দিয়ে টেনে পানির ওপরে তোলা হয়। এ সময় একের পর এক মরদেহ বের করতে দেখা যায় ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিদলকে। এ পর্যায়ে বাসের ভেতর থেকে মোট ১৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর আগে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছিল ১১ জনকে। তাদের মধ্যে আমেনা ও মর্জিনা নামে দুজন নারী পরবর্তীতে মারা যান। এ নিয়ে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ১৮ জনের মৃত্যুর কথা নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, তারা বাসটির ভেতর থেকে যে ১৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করেছেন তাদের মধ্যে ৪ জন পুরুষ, ১০ জন নারী ও ২ শিশু রয়েছে। এছাড়া যারা নিখোঁজ রয়েছেন, তাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু বলেও জানা গেছে।

আরও