রাকসু নির্বাচনের ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ

বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ প্রশাসক অধ্যাপক আখতার হোসেন মজুমদার সাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু), হল সংসদ ও সিনেটে ছাত্র প্রতিনিধি নির্বাচন ২০২৫ এর ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। বুধবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক এফ নজরুল ইসলাম নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ্ হাসান নকীবের হাতে তুলে দেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ প্রশাসক অধ্যাপক আখতার হোসেন মজুমদার সাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ফলাফল ঘোষণার সময় উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মোহাম্মদ মাঈন উদ্দীন, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক মোহা. ফরিদ উদ্দীন খান, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. মতিয়ার রহমান, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ইফতিখারুল আলম মাসউদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

দীর্ঘ ৩৫ বছর পর গত ১৬ অক্টোবর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে শান্তিপূর্ণভাবে রাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে মোট ২৮ হাজার ৯০১ জন ভোটারের মধ্যে ২০ হাজার ১৮৭ জন শিক্ষার্থী ভোট দিয়েছেন।

রাকসু, হল পরিষদ ও সিনেট নির্বাচনে মোট ১১টি ছাত্র প্যানেল অংশ নেয়। এর মধ্যে ছাত্রশিবির-সমর্থিত সম্মিলিত শিক্ষার্থী জোট ২৩টি কেন্দ্রীয় পদের মধ্যে ২০টিতে জয় পেয়েছে। এদের মধ্যে সহ-সভাপতি ও সহকারী সাধারণ সম্পাদকের পদও রয়েছে।

সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে ছাত্রশিবির-সমর্থিত প্যানেলের মুস্তাকুর রহমান জাহিদ ১২ হাজার ৮৮৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল-সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ নতুন প্রজন্ম প্যানেলের শেখ নূর উদ্দিন আবির পেয়েছেন ৩৩৯৭ ভোট।

সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে বিজয়ী হয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক ও আধিপত্যবিরোধী ঐক্য প্যানেলের সালাহউদ্দিন আম্মার। তিনি ১১ হাজার ৫৩৭ ভোট পান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শিবির-সমর্থিত ফাহিম রেজা পান ৫ হাজার ৭২৯ ভোট।

সহকারী সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে জয়ী হয়েছেন শিবির-সমর্থিত প্যানেলের এসএম সালমান সাব্বির। তিনি ৬ হাজার ৯৭১ ভোট পেয়ে জেসিডি-সমর্থিত প্যানেলের জাহিন বিশ্বাস এশাকে পরাজিত করেন।

রাকসু নির্বাচনে মোট ৯০৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে ২৩টি কেন্দ্রীয় পদের জন্য ২৪৮ জন, ১৭টি হল পরিষদের জন্য ৫৯৭ জন ও বিশ্ববিদ্যালয় সিনেটের পাঁচটি ছাত্র প্রতিনিধি পদের জন্য ৫৮ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ভিপি পদে ১৮ জন, জিএস পদে ১৩ জন ও এজিএস পদে ১৬ জন প্রার্থী ছিলেন।

হল পরিষদ নির্বাচনে ভিপি পদে ৬১ জন, জিএস পদে ৫৮ জন ও এজিএস পদে ৫৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। ছয়টি ছাত্রী হলে ভিপি ও জিএস পদে ১৬ জন এবং এজিএস পদে ১৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।

আরও