ইউনিক ইস্টার্ন লিমিটেডের মালিক নূর আলীসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং আইনে মামলা

অভিযুক্তরা বিগত ২০২২ হতে ২০২৪ পর্যন্ত ২ বছরে সর্বমোট ৩ হাজার ৭৮৭ জন কর্মীকে মালয়েশিয়ায় পাঠায়। সরকারি ফি ৭৮ হাজার ৯৯০ টাকা নির্ধারিত থাকলেও নূর আলীসহ সংশ্লিষ্ট অপরাপর অভিযুক্তরা জনপ্রতি ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা আদায় করে।

মালয়েশিয়ায় জনশক্তি রফতানির সিন্ডিকেটের অন্যতম সদস্য ইউনিক ইস্টার্ন (প্রা.) লিমিটেড এর মালিক নূর আলীসহ সংশ্লিষ্ট ১৪ জনের বিরুদ্ধে ৪০ কোটি ৭১ লাখ টাকার সংঘবদ্ধ প্রতারণার প্রাথমিক প্রমাণ পেয়েছে সিআইডি। তাদের বিরুদ্ধে গুলশান থানায় মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা (নং-৫৮) করা হয়েছে।

এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সিআইডি জানায়, মানিলন্ডারিং অনুসন্ধানকালে জানা যায়, নূর আলী ও তার জনশক্তি রফতানি প্রতিষ্ঠান ইউনিক ইস্টার্ন (প্রা.) লিমিটেডসহ অপরাপর অভিযুক্তরা প্রেরণকৃত প্রতি কর্মীর কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত ফি ব্যতীত অতিরিক্ত অর্থ আদায় করে।

অনুসন্ধানকালে আরো জানা যায়, অভিযুক্তরা বিগত ২০২২ হতে ২০২৪ পর্যন্ত ২ বছরে সর্বমোট ৩ হাজার ৭৮৭ জন কর্মীকে মালয়েশিয়ায় পাঠায়। সরকারি ফি ৭৮ হাজার ৯৯০ টাকা নির্ধারিত থাকলেও নূর আলীসহ সংশ্লিষ্ট অপরাপর অভিযুক্তরা জনপ্রতি ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা আদায় করে।

ভুক্তভোগী প্রতিজনের কাছ থেকে পাসপোর্ট খরচ, কভিড-১৯ টেস্ট, মেডিকেল ফি ও পোষাক সংক্রান্ত ফি এর নামে এসব অতিরিক্ত খরচ আদায়ের তথ্য পাওয়া যায়।

সংঘবদ্ধ চক্রটির ১৪ সদস্য পরস্পর যোগসাজসে প্রতারণা করে সর্বমোট ৪০ কোটি ৭১ লাখ ৪০ হাজার ৩৭০ টাকা প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নেয়ার প্রাথমিক তথ্য পাওয়া যায়। যা সুস্পষ্টভাবে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২ অনুযায়ী মানিলন্ডারিং অপরাধ।

বর্তমানে মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম বিভাগ পরিচালনা করছে। অপরাধের পূর্ণাঙ্গ তথ্য উদঘাটন, অজ্ঞাত অপরাপর সদস্যদের সনাক্ত ও গ্রেফতার করার স্বার্থে সিআইডির তদন্ত ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আরও