গতকাল সকালে লালপুরে অবস্থিত মিলের প্রশাসনিক ভবনের সামনে শ্রমিক ও কর্মচারী ইউনিয়নের আয়োজনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। দাবি পূরণ না হলে আগামী শনিবার থেকে ধর্মঘটের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শ্রমিকরা।
শ্রমিকদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে মৌসুমি জনবলকে স্থায়ী পদে পদায়ন, চুক্তিভিত্তিক জনবলদের বয়স শিথিল করে স্বপদে নিয়োগ, সরকার ঘোষিত ১৫ শতাংশ বিশেষ সুবিধার বকেয়াসহ প্রতি মাসে ১ হাজার ৫০০ টাকা প্রদান, শ্রমিক-কর্মচারী ও কর্মকর্তাদের জন্য বৈষম্যহীন জাতীয় পে-স্কেল ঘোষণা, ২০০২ সালের সেটআপ অনুযায়ী আর্থিক সুবিধা প্রদান, ইক্ষু পরিবহনের সঙ্গে যুক্ত চালক ও হেলপারদের ইনসেনটিভ বিল বাড়ানো, কৃষি খামারের দৈনিক হাজিরা শ্রমিকদের মজুরি বাড়ানো এবং অবসরপ্রাপ্তদের ৩০ দিনের মধ্যে পিএফ ও গ্র্যাচুইটির টাকা পরিশোধ।
সভায় বক্তব্য দেন শ্রমিক ইউনিয়নের সহসভাপতি মনিরুজ্জামান মনি, সহসাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হক বাচ্চু, সাংগঠনিক সম্পাদক রাকিব হাসান, ধর্ম ও ক্রীড়া সম্পাদক হাকিমুর রশিদ (লিটু), প্রচার সম্পাদক মিজানুর রহমান প্রমুখ।
সুগার মিল শ্রমিক ও কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি মমিনুল ইসলাম মানিক বলেন, ‘আমরা দীর্ঘদিন ধরে মানবিক দাবিগুলো জানিয়ে আসছি, কিন্তু কর্তৃপক্ষ তা আমলে নিচ্ছে না। ফলে শ্রমিকরা মানবেতর জীবনযাপন করছেন।’
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন পিন্টু বলেন, ‘আগামী শনিবারের মধ্যে দাবি না মানলে আমরা কাজ বন্ধ রেখে লাগাতার আন্দোলনে নামতে বাধ্য হব।’
দাবির বিষয়ে মিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদ হোসেন ভূঁইয়া জানান, মিলের যাবতীয় কার্যক্রম প্রধান কার্যালয়ের নীতিমালা অনুযায়ী পরিচালিত হয়। শ্রমিকদের উত্থাপিত দাবিগুলো সদর দপ্তরে পাঠানো হবে। সেখান থেকে অনুমোদন পেলেই কেবল এগুলো বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।