সফরকালে যশোর ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং শার্শা উপজেলার উলসী-যদুনাথপুর খাল পুনঃখননকাজের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। পরে শহরের ঈদগাহ ময়দানে বিএনপি আয়োজিত জনসভায় ভাষণ দেবেন।
জানা গেছে, যশোর মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার ১৫ বছর পেরিয়ে গেলেও বাস্তবায়ন হয়নি ৫০০ শয্যার হাসপাতাল। এজন্য শিক্ষার্থীদের ক্লিনিক্যাল ক্লাস ও ইন্টার্ন ক্লাসের জন্য ৫ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে যেতে হয় যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে। এতে শিক্ষার্থীরা যেমন ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন, তেমনি বৃহত্তর যশোর অঞ্চলের মানুষ উন্নত চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হতো। প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে হাসপাতালের নির্মাণকাজের তোড়জোড় শুরু হয়েছে।
এ বিষয়ে গণপূর্ত অধিদপ্তর যশোরের নির্বাহী প্রকৌশলী জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চলমান প্রকল্প ব্যয় ধরা হয়েছে ৬৭৬ কোটি টাকা। ২০২৮ সালের জুনের মধ্যেই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।’
যশোর মেডিকেল কলেজ ৫০০ শয্যা হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা সংগ্রাম কমিটির সদস্য সচিব জিল্লুর রহমান ভিটু বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমন ঘিরে হাসপাতাল নির্মাণকাজে গতি ফিরেছে। আমরা চাই এ ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকুক।’ এ বিষয়ে যশোর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। আশা করি খুব দ্রুতই যশোরবাসী পূর্ণাঙ্গ ৫০০ শয্যার হাসপাতাল পাবে।’ বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নার্গিস বেগম বলেন, ‘যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল স্থাপনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও সাবেক মন্ত্রী তরিকুল ইসলামের স্বপ্ন ছিল। সেই অসম্পন্ন স্বপ্ন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মাধ্যমে পূরণ হতে যাচ্ছে। এতে যশোরবাসী উচ্ছ্বসিত।’