সংবাদ সম্মেলন

সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান না করলে রাজপথে নামার হুঁশিয়ারি ১১ দলীয় ঐক্যের

১১ দলীয় ঐক্যের লিয়াজোঁ কমিটির সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের বিষয়েও গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং এতে জনগণের সমর্থন রয়েছে। সে অনুযায়ী সরকারের দায়িত্ব দ্রুত পরিষদের কার্যক্রম শুরু করা। কিন্তু এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো অধিবেশন না ডাকায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

জুলাই সনদ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আগামীকাল রোববারের মধ্যে আহ্বানের দাবি জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য। নাহলে রাজপথে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছে তারা।

আজ শনিবার দুপুরে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ১১ দলীয় ঐক্যের লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান কমিটির সমন্বয়ক ও জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ।

তিনি বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের বিষয়েও গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং এতে জনগণের সমর্থন রয়েছে। সে অনুযায়ী সরকারের দায়িত্ব দ্রুত পরিষদের কার্যক্রম শুরু করা। কিন্তু এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো অধিবেশন না ডাকায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, আজ পর্যন্ত সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে কোনো অধিবেশন ডাকা হয়নি। ক্যালেন্ডার অনুযায়ী আগামীকাল ৩০ দিন শেষ হবে। আগামীকালের মধ্যে যদি সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন না ডাকেন, তাহলে আমরা ১১ দলীয় ঐক্য সিদ্ধান্ত নিয়েছি- সরকারের জন্য আগামী দিনই অধিবেশন ডাকার শেষ দিন। জুলাই সনদে যেভাবে বলা আছে অবিলম্বে সেভাবে ব্যবস্থা নিন। যদি না নেন তাহলে জাতির কাছে ক্ষমা পাবেন না। বিশেষ করে সংসদ নেতাকে এ দায়িত্ব নিতে হবে। সরকারকেও নিতে হবে। জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য আগামীকালের মধ্যে যদি ব্যবস্থা নেয়া না হয় জনগণকে সঙ্গে নিয়ে রাজপথে আন্দোলনে যেতে বাধ্য হব। শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে কথা বলে কর্মসূচির ঘোষণা করব এবং জনগণকে সম্পৃক্ত করে তাদের অধিকার আদায়ে ঐক্যবদ্ধ হব।

নির্বাচনে জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণ হয়নি জানিয়ে জামায়াতের এ নেতা বলেন, জনগণ আশা করেছিল একটি সুষ্ঠু নির্বাচন হবে। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও নির্বাচন কমিশনারসহ সবার একটি বক্তব্য ছিল- ইতিহাসের সেরা নির্বাচন। তবে সেটা হয়নি। এমনকি নির্বাচনে জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন যে হয়নি, সেটা এরই মধ্যে প্রতীয়মান হয়েছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে ইঙ্গিত করে হামিদুর রহমান বলেন, ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সঙ্গে জড়িত এমন একজনকে জায়গা দিয়ে সেটা পরিষ্কার করা হয়েছে। তবুও দেশের স্বার্থে আমরা নির্বাচনের ফলাফল মেনে নিয়েছি।

আরও