উত্তরায় যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত

নিখোঁজ ছাত্রী রাইসার মরদেহ শনাক্ত

মঙ্গলবার (২২ জুলাই) ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) তার মরদেহ শনাক্ত করেছেন বাবা শাহাবুল শেখ ও চাচা ইমদাদুল শেখ।

রাজধানীর উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার পর নিখোঁজ ছিল তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইসা মনি (১১)। তার খোঁজ পাওয়া গেছে। তবে সে আর জীবিত নেই।

মঙ্গলবার (২২ জুলাই) ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) তার মরদেহ শনাক্ত করেছেন বাবা শাহাবুল শেখ ও চাচা ইমদাদুল শেখ।

রাইসা মনি ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের বাজড়া গ্রামের বাসিন্দা। বাবা শাহাবুল শেখ পেশায় একজন ব্যবসায়ী। তারা ঢাকার মিরপুরে থাকেন। রাইসা ছিল তিন ভাইবোনের মধ্যে দ্বিতীয়। তার এক বড় বোন ও এক ছোট ভাই রয়েছে।

রাইসার চাচাতো ভাই তারিকুল শেখ বলেন, ‘রাইসার খোঁজ মিলেছে, কিন্তু সে আর বেঁচে নেই। তার শরীরের প্রায় ৮০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। পেট থেকে মাথা পর্যন্ত দগ্ধ ছিল। তবে তার বাবা শনাক্ত করতে পেরেছেন।’ তিনি আরো জানান, রাইসার মরদেহ এখন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রয়েছে। ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের পর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এরপর মরদেহ গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে তার দাফন হবে।

উল্লেখ্য, সোমবার বিকালে উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের একটি ভবনে বিমানবাহিনীর একটি যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়। এই দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থীসহ বহু মানুষ হতাহত হয়েছেন। আইএসপিআর জানিয়েছে, মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩১ জনে। আহত হয়েছেন আরো অন্তত ১৬৫ জন। এখনো বেশ কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছেন।

আরও