ঢাকা থেকে বরিশালগামী সুরভী-৭ লঞ্চের ধাক্কায় একটি বাল্কহেড ডুবে গেছে। গতকাল রাতে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে চর কিশোরগঞ্জ এলাকায় ধলেশ্বরী নদীতে এ ঘটনা ঘটে। ডুবে যাওয়া বালল্কহেডে চালকসহ ছয়জন শ্রমিক ছিলেন। এদের মধ্যে পাঁচজন সাঁতার কেটে তীরে উঠতে পেরেছে। তবে একজন নিখোঁজ রয়েছে। তাকে উদ্ধারে আজ সকাল থেকে অভিযান চলছে।
নিখোঁজ শ্রমিকের নাম মোহাম্মদ মোতালেব। তিনি ভোলার ঢুলারহাটের নুরাবাদ গ্রামের রফিজুল হক মিজির ছেলে। আজ বৃহস্পতিবার বণিক বার্তাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন কলাগাছিয়া ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর জহিরুল ইসলাম।
কলাগাছিয়া ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর জহিরুল ইসলাম বলেন, সুরভী-৭ প্রায় ৩৫০ জনের বেশি যাত্রী নিয়ে রাতে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল থেকে বরিশালের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে। লঞ্চটি নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ের চর কিশোরগঞ্জ এলাকায় এসে বালুবাহী বাল্কহেডেকে ধাক্কা দেয়। এতে বাল্কহেডটি ধলেশ্বরী নদীতে তলিয়ে যায়। সংঘর্ষের কারণে বরিশালগামী যাত্রীবাহী লঞ্চ সুরভী-৭ এর সামনের অংশ ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সংঘর্ষের সময় যাত্রীবাহী লঞ্চে যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে ধলেশ্বরী নদীর তীরে চর কিশোরগঞ্জ এলাকায় একটি চরের মধ্যে যাত্রবাহী জাহাজটি নোঙ্গর করা হলে যাত্রীরা দ্রুত লঞ্চ থেকে নেমে পড়ে।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ফায়ার সার্ভিস ও বিআইডব্লিউটিএ'র ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযান শুরু করেছেন। ডুবে যাওয়া বাল্কহেডের একটি অংশ দেখা যাচ্ছে। সেটি টেনে তোলার চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি। তবে ভেতরে আটকে পড়া শ্রমিকদের সন্ধান মেলেনি।
লঞ্চের মালিক রিয়াজুল কবির জানান, লঞ্চটি নদীর তীরে নোঙর করে রাখা হয়েছে। যাত্রীরা নিরাপদে আছেন। যাত্রীদের কীর্তনখোলা-১০ নামের একটি লঞ্চে উদ্ধার করে আনার ব্যবস্থা করা হয়েছে।