বাংলাদেশ যে গণতন্ত্রের ট্রেনে ওঠে গেল তা ইনশাআল্লাহ গন্তব্যে পৌঁছাবে: সিইসি

সিইসি গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, আমরা কথা দিয়েছিলাম, উৎসবমুখর ভোট উপহার দেব। আপনারা দেখেছেন, গত কয়েকদিনে মানুষ ট্রেনে, বাসে, লঞ্চে ঈদের মতো করে গ্রামেগঞ্জে চলে গিয়েছে ভোট দিতে। আমার নিজের গ্রামে ও বিভিন্ন জায়গায় কথা বলেছি, তারা ঈদের আমেজে ভোট দিচ্ছে। একটা উৎসবের আমেজ সৃষ্টি হয়েছে, সবাই ভোট দিতে পারবে।

বাংলাদেশ যে গণতন্ত্রের ট্রেনে ওঠে গেল তা ইনশাআল্লাহ গন্তব্যে পৌঁছাবে বলে আশাপ্রকাশ করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। তিনি বলেছেন, ২০২৬ সালে বাংলাদেশের মতো এত বড় নির্বাচন বিশ্বের কোথাও হয় নাই। গতকাল বিদেশী পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। তারা আমাদের প্রস্তুতি দেখে সন্তুষ্ট।

আজ বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে রাজধানীর ইস্কাটন গার্ডেন স্কুলের কেন্দ্রে তিনি ভোট দিতে আসেন। এ কেন্দ্রটি ঢাকা-৮ আসনের মধ্যে অবস্থিত।

ভোট দিয়ে সিইসি গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, আমরা কথা দিয়েছিলাম, উৎসবমুখর ভোট উপহার দেব। আপনারা দেখেছেন, গত কয়েকদিনে মানুষ ট্রেনে, বাসে, লঞ্চে ঈদের মতো করে গ্রামেগঞ্জে চলে গিয়েছে ভোট দিতে। আমার নিজের গ্রামে ও বিভিন্ন জায়গায় কথা বলেছি, তারা ঈদের আমেজে ভোট দিচ্ছে। একটা উৎসবের আমেজ সৃষ্টি হয়েছে, সবাই ভোট দিতে পারবে। এই আনন্দ তাদেরও উদ্বেলিত করছে।

তিনি আরো বলেন, আমরা কথা দিয়েছিলাম, একটি সুষ্ঠু, সুন্দর, বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন উপহার দেব। সে লক্ষ্যে ২০২৪ সালের নভেম্বরে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে বিনিদ্র রজনী কাটিয়েছি, সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছি। আজ এত সাংবাদিক দেখে আমি সত্যিই আনন্দিত। কারণ, আপনারা হচ্ছেন থার্ড আই। আমি ঘরে বসে সবকিছু দেখতে পারব না। আমরা আপনাদের চোখ দিয়ে দেখতে চাই। গ্রামেগঞ্জে পৌঁছে যাওয়ার আমার কোনো মেকানিজম নাই। আমি আপনাদের মাধ্যমেই পৌঁছাবো।

তিনি আরো বলেন, কেন্দ্র দখলের ইতিহাস, ভোটের বাক্স চুরির ইতিহাস আমাদের ভুলে যেতে হবে।

আরও