মরচুয়ারি ভ্যানের স্বল্পতা

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে মৃতদেহ সংরক্ষণ ও পরিবহনে তৈরি হয় তীব্র সংকট

দিনটি ছিল ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট। ক্ষমতাচ্যুত হয়ে শেখ হাসিনা দেশ থেকে পালিয়ে যান। সেদিন আশুলিয়ায় ধারণ করা একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন আন্দোলনকারীর মরদেহ স্তূপ করে একটি রিকশা ভ্যানে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

আগের দিন ৪ আগস্ট রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে নিহত হন টাইলসমিস্ত্রি মো. রনি। ওইদিনের বর্ণনা দিয়ে তার ভাই রাকিব বণিক বার্তাকে বলেন, ‘আমার ভাইয়ের মরদেহ বাড়িতে নিয়ে আসার মতো গাড়ি খুঁজে পাচ্ছিলাম না। পরে একটি সাধারণ অ্যাম্বুলেন্সে করে ভাইয়ের মরদেহ ভোলা সদরের দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের দক্ষিণ বালিয়া গ্রামে নিয়ে আসি।’

জুলাইয়ের সেই সহিংস সময়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হামলায় একসঙ্গে অনেক আন্দোলনকারী নিহত হন। সে সময় মরদেহ সম্মানজনক ও সংরক্ষণযোগ্যভাবে পরিবহনের জন্য প্রয়োজনীয় বিশেষায়িত যানবাহন দেখা যায়নি।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, জুলাই অভ্যুত্থানের সময় দেশে সরকারি মরচুয়ারি ভ্যান ছিল মাত্র তিনটি। এর মধ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অধীন সরকারি যানবাহন অধিদপ্তরের দুটি এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ছিল একটি। বর্তমানেও সেই সংখ্যা অপরিবর্তিত রয়েছে।

যেকোনো পরিস্থিতিতে মৃতদেহের মর্যাদাপূর্ণ সংরক্ষণ, নিরাপদ পরিবহন ও সঠিক পরিচয় শনাক্তকরণ আন্তর্জাতিক রীতিসিদ্ধ চর্চার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ। এ কাজে রেফ্রিজারেটেড মরচুয়ারি ভ্যান অপরিহার্য হলেও বাংলাদেশে সরকারি পর্যায়ে এ ধরনের যানের সংকট দীর্ঘদিনের। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও তৎকালীন ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীদের হামলায় বিপুল প্রাণহানির পর সেই ঘাটতির বেদনাদায়ক বাস্তবতা প্রকট হয়ে ওঠে। পর্যাপ্ত মরচুয়ারি ভ্যান না থাকায় অনেক নিহত আন্দোলনকারীর মরদেহ রিকশা, ভ্যান, ট্রাকসহ বিভিন্ন সাধারণ যানবাহনে পরিবহন করতে হয়েছে, যা মৃতদেহ ব্যবস্থাপনায় বিদ্যমান সীমাবদ্ধতাকে সামনে নিয়ে আসে।

জানতে চাইলে প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এসএম জিয়াউদ্দিন হায়দার বণিক বার্তাকে বলেন, ‘মরচুয়ারি ভ্যানের স্বল্পতা শুরু থেকেই রয়েছে। চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের সময় এ সংকটের তীব্রতা স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয়। আমরা দ্রুতই এ সংকট নিরসনে পদক্ষেপ নেব। মরচুয়ারি ভ্যানের মতো স্বাস্থ্য খাতের নানা ক্ষেত্র আমরা সংকটময় অবস্থায় পেয়েছি। সমস্যাগুলো ক্রমান্বয়ে সমাধান করে দেশের স্বাস্থ্য খাতে মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনতে এ সরকার দৃঢ়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে।’

জুলাই অভ্যুত্থানে যারা নিহত হয়েছিলেন তাদের বড় অংশ হত্যার শিকার হন শেখ হাসিনার পতনের আগমুহূর্তে, ৪ ও ৫ আগস্ট। জুলাই অভ্যুত্থান নিয়ে বিভিন্ন গবেষণা প্রতিবেদন ও গণমাধ্যমের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, এ দুইদিনে নিহত হয়েছিলেন অন্তত ৪৫০ জন। সর্বশেষ প্রকাশিত সরকারি গেজেট অনুযায়ী, বর্তমানে মোট জুলাই শহীদের সংখ্যা ৮৪৩। অর্থাৎ মোট নিহতের প্রায় ৫৩ দশমিক ৩৮ শতাংশ মারা যান এ দুইদিনে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, একসঙ্গে অনেক প্রাণহানি ঘটলে কেবল হাসপাতালের স্থায়ী মর্গের ওপর নির্ভর করা যায় না। প্রয়োজন হয় রেফ্রিজারেটেড মরচুয়ারি ভ্যান, অস্থায়ী কোল্ড স্টোরেজ ও দ্রুত মৃতদেহ পরিবহনের সমন্বিত ব্যবস্থার। কিন্তু বাংলাদেশে এ ধরনের বিশেষায়িত যানবাহনের সংখ্যা অত্যন্ত সীমিত। অনেক সরকারি হাসপাতালের নিজস্ব মরচুয়ারি ভ্যান নেই। সেসব ক্ষেত্রে সাধারণ অ্যাম্বুলেন্স বা বেসরকারি যানবাহনের ওপর নির্ভর করতে হয়।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট যেসব এলাকায় সবচেয়ে বেশি হত্যাকাণ্ড ঘটেছিল তার মধ্যে অন্যতম ছিল যাত্রাবাড়ী ও সাভার। বিভিন্ন গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, শেখ হাসিনা সরকারের পতনের সেদিন এ দুই এলাকাতেই নিহত হয়েছিলেন শতাধিক আন্দোলনকারী। শেখ হাসিনার পতনের শেষ মুহূর্তে নিহত সেই আন্দোলনকারীদের মরদেহ পরিবহনে সেদিনও বিভিন্ন বাধার মুখে পড়তে হয়েছিল পরিবারের সদস্যদের। এমনই একজন ছিলেন নাফিসা হোসেন মারওয়া (১৭)। ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাকিজা এলাকায় গণভবন অভিমুখী ছাত্র-জনতার মিছিলে গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি নিহত হন। ওইদিন বেলা ৩টার দিকে নাফিসার মৃত্যু সংবাদ পায় তার পরিবার। ততক্ষণে শেখ হাসিনা পালিয়ে গেছেন।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মরচুয়ারি ভ্যান ছবি: নিজস্ব আলোকচিত্রী

নাফিসার মামা মো. হযরত আলীর তথ্য অনুযায়ী, ওইদিন বেলা ৩টার দিকে কল দিয়েছিলেন ভাগ্নির অবস্থান জানতে। তখন অন্য একজন কল রিসিভ করে জানান যে মোবাইল ফোনটির মালিক গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তাকে ল্যাবজোন হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। এর পরই তারা হাসপাতালে ছুটে যান। চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করলে তারা নাফিসাকে নিয়ে আবারো এনাম মেডিকেলে যান এবং সেখানেও নাফিসাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

সেদিন নাফিসার মরদেহ বাড়িতে নেয়ার জন্য কোনো মরদেহ পরিবহনকারী বিশেষায়িত যান পাওয়া যায়নি। নাফিসার মামার তথ্য অনুযায়ী, শেষ পর্যন্ত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অ্যাম্বুলেন্স নাফিসার মরদেহ সাভার বাজার বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছে দেয়। এরপর সেখান থেকে রিকশায় মরদেহ বাড়ি নেয়া হয়। এনাম মেডিকেল থেকে নাফিসার মরদেহ নিয়ে ফেরার পথে মুক্তির মোড়ে ছাত্রলীগ-যুবলীগের হামলার শিকার হন বলেও জানান নাফিসার মামা।

একই দিন রাজশাহীতে তোলা একটি আলোকচিত্রে দেখা যায়, গণ-অভ্যুত্থানে এক ব্যক্তির মরদেহ রিকশা ভ্যানে বহন করা হচ্ছে।

পরিবারের তথ্য অনুযায়ী, নাফিসা মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন। শুধু নাফিসা নন, গণ-অভ্যুত্থানে নিহতদের একটি বড় অংশ মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন। ২০২৪-এর অক্টোবরে জুলাই অভ্যুত্থানে নিহতদের তথ্য বিশ্লেষণ করে একটি পর্যালোচনা প্রতিবেদনে প্রকাশ করে হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি (এইচআরএসএস)। তারা ১৬ জুলাই থেকে ৭ আগস্ট পর্যন্ত আন্দোলনকারী ও পুলিশসহ মোট ৯৮৬ জনের মৃত্যুর তথ্য তুলে ধরে। তাদের প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, শুধু সাতদিনে (১৮-২০ জুলাই ও ৪-৭ আগস্ট) ৮৫২ জন নিহত হয়েছেন।

ডায়ালগস ইন হেলথ জার্নালে চলতি বছর জানুয়ারিতে ‘ইউজ অব লিথাল ওয়েপনস টু কিল প্রটেস্টরস বাই বাংলাদেশ পুলিশ: আ ডিসকাশন অ্যানালাইজিং ২৫৩ ডেথস অব জুলাই টোয়েন্টিফোর রেভল্যুশন’ শীর্ষক একটি গবেষণা প্রকাশ হয়েছে। চীনের নানজিং ইউনিভার্সিটির স্কুল অব দি এনভায়রনমেন্টের পিএইচডি গবেষক মো. আবু বকর সিদ্দিক, ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ল অ্যান্ড ডিপ্লোমেসির গবেষক মো. খালিদ সাইফুল্লাহ, মালয়েশিয়ার আলবুখারি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সামাজিক উন্নয়ন বিভাগের শিক্ষার্থী শেখ মুযযাম্মিল হুসেন ও তুরস্কের আঙ্কারা ইউনিভার্সিটির পিএইচডি গবেষক মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম যৌথভাবে গবেষণাটি পরিচালনা করেন।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় পুলিশের সম্পৃক্ততা রয়েছে এমন ২৫৩টি মৃত্যুর ঘটনা বিশ্লেষণ করে এ গবেষণা প্রকাশ হয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে, নিহতদের প্রায় ৪৭ শতাংশের বুকে ও ২৯ শতাংশের মাথায় গুলি লেগেছিল। গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে, ২৫৩টি মৃত্যুর মধ্যে ১১৮ জন বা ৪৬ দশমিক ৬৪ শতাংশের বুকে এবং ৭৪ জন বা ২৯ দশমিক ২৫ শতাংশের মাথায় গুলি বা আঘাত লাগার তথ্য পাওয়া গেছে। এছাড়া ৩৮ জন বা ১৫ দশমিক শূন্য ২ শতাংশের শরীরজুড়ে পেলেটের আঘাত এবং ২৩ জন বা ৯ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশের শরীরের অন্যান্য অংশে আঘাতের তথ্য পাওয়া গেছে। এছাড়া নিহতদের মধ্যে ১৯৬ জন বা ৭৭ দশমিক ৪৭ শতাংশ ঘটনাস্থলেই মারা যান। আর হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ৫৭ জন বা ২২ দশমিক ৫৩ শতাংশ।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রতিটি বিভাগে পর্যাপ্ত রেফ্রিজারেটেড মরচুয়ারি ভ্যান, মোবাইল মরচুয়ারি ইউনিট ও কেন্দ্রীয় সমন্বয় ব্যবস্থা গড়ে তোলা প্রয়োজন। জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি পরিকল্পনায় চিকিৎসা সহায়তার পাশাপাশি ‘ম্যাস ফ্যাটালিটি ম্যানেজমেন্ট’কে পৃথক উপাদান হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা জরুরি। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের অভিজ্ঞতা দেখিয়েছে, প্রাণহানি-পরবর্তী ব্যবস্থাপনা শুধু মানবিক দায়িত্ব নয়; এটি জনস্বাস্থ্য, ফরেনসিক তদন্ত, বিচার প্রক্রিয়া ও ভুক্তভোগী পরিবারের অধিকার রক্ষার সঙ্গেও সরাসরি সম্পর্কিত। তাই মরচুয়ারি ভ্যান ও আধুনিক মৃতদেহ সংরক্ষণ অবকাঠামো বাড়ানো প্রয়োজন।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. আহমদ পারভেজ জাবীন বণিক বার্তাকে বলেন, ‘সরকারি উদ্যোগে দেশের প্রতিটি জেলায় অন্তত একটি করে মরচুয়ারি ভ্যান থাকা প্রয়োজন। দুর্যোগ, বজ্রপাত, সড়ক দুর্ঘটনা বা অন্যান্য অপমৃত্যুর ঘটনায় মরদেহ সংরক্ষণ এবং এক স্থান থেকে অন্য স্থানে মর্যাদার সঙ্গে স্থানান্তরের প্রয়োজন হয়। বর্তমানে আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান সীমিত পরিসরে সহায়তা দিলেও বড় দুর্যোগে বা জরুরি কোনো বিশেষ পরিস্থিতিতে শুধু বেসরকারি উদ্যোগের ওপর নির্ভর করা যথেষ্ট নয়।’

তিনি আরো বলেন, ‘সরকারি পর্যায়ে পর্যাপ্ত মরচুয়ারি ভ্যানের ব্যবস্থা করা হলে জরুরি সময়ে মরদেহ ব্যবস্থাপনা আরো মানবিক ও সুশৃঙ্খল হবে।’

বেওয়ারিশ মরদেহ দাফনকারী প্রতিষ্ঠান আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামের তথ্যমতে, তারা ২০২৪ সালে সর্বাধিক ৮১টি মরদেহ দাফন করেন জুলাইয়ে। এর আগে এপ্রিল, মে ও জুনে মরদেহ দাফনের সংখ্যা ছিল যথাক্রমে ৩৭, ৫৯ ও ৪৮। অন্যদিকে আন্দোলন পরিস্থিতি জটিল আকার ধারণ করায় ১ থেকে ১২ আগস্ট পর্যন্ত মরদেহ দাফন কার্যক্রম স্থগিত রাখা হয়। আগস্টের বাকি সময়ে তারা ৩৪টি মরদেহ দাফন করে।

জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক কার্যালয়ের অনুসন্ধান প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের সময় বহু এলাকায় নিয়মিত ময়নাতদন্ত কার্যক্রম ব্যাহত হয়। ১৮ জুলাইয়ের পর অনেক ক্ষেত্রে ময়নাতদন্ত যথাযথভাবে বা একেবারেই করা হয়নি। অনেক জায়গায় পুলিশ মর্গে গিয়ে মৃতদেহ গ্রহণ ও ময়নাতদন্তের আইনি প্রক্রিয়া শুরু করেনি। পাশাপাশি প্রশাসনিক চাপ ও নিরাপত্তাজনিত পরিস্থিতির কারণে কিছু হাসপাতালও স্বাভাবিক মৃতদেহ ব্যবস্থাপনা বজায় রাখতে পারেনি। ফলে আইনসম্মত প্রক্রিয়ায় মৃতদেহ ব্যবস্থাপনা ও পরিবারের কাছে হস্তান্তর কার্যক্রমে জটিলতা সৃষ্টি হয়।

স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী বণিক বার্তাকে বলেন, ‘সরকারের স্বাস্থ্যনীতি অনুযায়ী অ্যাম্বুলেন্স পুল গঠনের পরিকল্পনা রয়েছে। সেখানে আমরা মরদেহ পরিবহনের জন্যও কিছু বিশেষায়িত ভ্যান রাখতে পারি। বিষয়টি নিয়ে এরই মধ্যে একটি প্রকল্প “‍সবুজ পাতায়” রাখা হয়েছে। ওই প্রকল্পের বিষয়ে গত শনিবারও একটি সভা হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করতে পারলে আশা করি অ্যাম্বুলেন্স পুল গঠন করতে পারব। সেখানে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থাই থাকবে।’

আরও