কাপ্তাই বাঁধের ১৬টি জলকপাট খুলে দেয়া হয়েছে

কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎকেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে কাপ্তাই হ্রদে ১০৪ দশমিক শূন্য ৯ ফুট মিনস সি লেভেল বা সমুদ্রপৃষ্ঠের গড় উচ্চতায় পানি রয়েছে। কাপ্তাই বাঁধের সর্বোচ্চ পানি ধারণক্ষমতা ১০৯ ফুট হলেও ১০৮ ফুট উচ্চতাকে বিপৎসীমা হিসেবে ধরা হয়। কর্ণফুলী অববাহিকায় হ্রদের এ পানির শেষ গন্তব্য হলো বঙ্গোপসাগর।

রাঙ্গামাটির কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে কাপ্তাই বাঁধের ১৬টি জলকপাট ৬ ইঞ্চি করে খুলে দেয়া হয়েছে। আজ শনিবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে জলকপাটগুলো খুলে দেয়ার পর কর্ণফুলী নদীতে প্রতি সেকেন্ডে ৯ হাজার ঘনফুট পানি নিষ্কাশন করা হচ্ছে।

কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎকেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে কাপ্তাই হ্রদে ১০৪ দশমিক শূন্য ৯ ফুট মিনস সি লেভেল বা সমুদ্রপৃষ্ঠের গড় উচ্চতায় পানি রয়েছে। কাপ্তাই বাঁধের সর্বোচ্চ পানি ধারণক্ষমতা ১০৯ ফুট হলেও ১০৮ ফুট উচ্চতাকে বিপৎসীমা হিসেবে ধরা হয়। কর্ণফুলী অববাহিকায় হ্রদের এ পানির শেষ গন্তব্য হলো বঙ্গোপসাগর।

বর্তমানে এই বিদ্যুৎকেন্দ্রের ৫টি ইউনিট সচল রেখে ২২২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে।

কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎকেন্দ্রের ব্যবস্থাপক ও তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান বলেন, কাপ্তাই হ্রদে পানির উচ্চতা বৃদ্ধি এবং নিচু এলাকায় বন্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য বাঁধের ১৬টি জলকপাট ৬ ইঞ্চি করে খুলে পানি ছাড়া হয়েছে। তিনি জানান, হ্রদে পানির প্রবাহ আরো বাড়লে পরিস্থিতি অনুযায়ী আরো বেশি জলকপাট খুলে দেয়া হবে।

আরও