বিটিআরসিতে সেনাবাহিনী মোতায়েন

রাস্তা অবরোধ মোবাইল ব্যবসায়ীদের, বিটিআরসির সঙ্গে বৈঠকে প্রতিনিধি দল

প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যবের পদত্যাগের দাবি জানিয়েছেন তারা।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, মোবাইল ব্যবসায়ীদের ধ্বংস করতে সরকারের উপদেষ্টা ফয়েজ তৈয়্যব সরাসরি এনইআইআর করছে। এটি করা হলে সিংহভাগ মোবাইল ব্যবসায়ী অসহায় হয়ে যাবে। ৯টি কোম্পানির একটি সিন্ডিকেটকে সুবিধা দিতে এটা করা হচ্ছে।

ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি রেজিস্ট্রার (এনইআইআর) সংস্কার, সিন্ডিকেট প্রথা বিলোপ, যৌক্তিক ট্যাক্স কাঠামো পুর্ননির্ধারণ ও মোবাইল ফোন আমদানির সুযোগ উন্মুক্ত করার দাবিতে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) কার্যালয় ঘেরাও করে রেখেছে মোবাইল ব্যবসায়ীরা। এসময় ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যবের পদত্যাগের দাবি জানিয়েছেন তারা।

আন্দোলনকারীরা আগারগাঁও সড়ক অবরোধ করে রেখেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

এদিকে বিটিআরসির সঙ্গে বৈঠকে বসেছে মোবাইল ব্যবসায়ীদের একটি প্রতিনিধি দল। এমবিসিবি সভাপতি আসলাম ও সাধারণ সম্পাদক আবু সায়ীদ পিয়াসসহ ৯ সদস্যের প্রতিনিধি দল বৈঠকে বসেছে।

সড়ক অবরোধের ফলে বিপাকে পড়েছে সাধারণ মানুষ। ছবি- বণিক বার্তা

গতকাল ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে মোবাইল ব্যবসায়ীদের সংগঠন বাংলাদেশ মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি (এমবিসিবি) এ কর্মসূচি পালন করছে। সারা দেশে দোকান বন্ধ রেখে এতে অংশ নিচ্ছে কয়েক হাজার দোকান মালিক ও কর্মচারী।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, মোবাইল ব্যবসায়ীদের ধ্বংস করতে সরকারের উপদেষ্টা ফয়েজ তৈয়্যব সরাসরি এনইআইআর করছে। এটি করা হলে সিংহভাগ মোবাইল ব্যবসায়ী অসহায় হয়ে যাবে। ৯টি কোম্পানির একটি সিন্ডিকেটকে সুবিধা দিতে এটা করা হচ্ছে। আমরা আমাদের ট্যাক্স দিতে চাই। কিন্তু সেটা নিশ্চিত করতে হলে কাউকে ক্ষতি করে করা যাবে না। ব্যবসায়ীদের স্বার্থ বিবেচনা করে আইন করতে হবে।

আশরাফুল নামের একজন বলেন, আমরা আমাদের ব্যবসায় ফোন যেভাবে আনি না কেন দিনশেষে আমাদেরকে ট্যাক্স দিতে হয়। এছাড়া লাখ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে। কিন্তু সরকারের একজন উপদেষ্টা সেটা বন্ধ করে দিতে চান। তিনি দেশকে ভালবাসেন না, তিনি এদেশের নাগরিকও নয়। তিনি কীভাবে ব্যবসায়ীদের স্বার্থ দেখবেন?

এদিকে সড়ক অবরোধের ফলে বিপাকে পড়েছে সাধারণ নাগরিকরা। অ্যাম্বুলেন্স ছাড়া কোনো যানবাহন চলাচলের সুযোগ না থাকায় হেঁটে গন্তব্য পৌঁছাতে হচ্ছে নাগরিকদের।

আরও