বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ভোলা-৩ আসনে দলটির সংসদ সদস্যপ্রার্থী মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘এটি আমার জীবনের দশম নির্বাচন। প্রথম ছয়টিতে বিজয়ী হয়েছি। পরবর্তী সময়ে নিজের ভোটও দিতে পারিনি।’ তিনি আশা প্রকাশ করেন, এবারের নির্বাচন গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হবে।
গতকাল ভোলার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার দপ্তরে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
আগামী জাতীয় নির্বাচনের আগে একের পর এক হত্যাকাণ্ডে দেশের ভোটাররা চরম শঙ্কায় রয়েছেন উল্লেখ করে হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘এরই মধ্যে মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার আগেই কয়েকজনকে হত্যা করা হয়েছে। চট্টগ্রামে বিএনপি নেতা এরশাদ উল্লাহকে হত্যাচেষ্টা এবং ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ড তার প্রমাণ। নির্বাচনের বাকি সময়েও হত্যাকাণ্ডের আশঙ্কা রয়েছে।’
এ বিষয়ে তিনি প্রতিবেশী রাষ্ট্রকে সংযত থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘যারা হত্যাকাণ্ডে জড়িত, তাদের বাংলাদেশে ফিরিয়ে দেয়া উচিত।’
ভারতে পলাতক শেখ হাসিনাকে ইঙ্গিত করে বিএনপির এ নেতা বলেন, ‘এখানে বাংলাদেশী নাগরিককে হত্যা করে, গণতন্ত্র আর মানুষের জীবন বিনষ্ট করে ভারতে প্রবেশ করেছেন বিনা বাধায়, এটা অত্যন্ত দুঃখজনক। আমরা আশা করব, ভারত সরকার এ ধরনের উদ্যোগ থেকে বিরত থাকবে।’
তিনি বলেন, ‘বিগত ১৬ বছর দেশের মানুষ ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেনি। একটি পুরো প্রজন্ম ভোট দেয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছে।’ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে জনগণ অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে ভোট দিতে পারবে বলে প্রত্যাশা করেন হাফিজ উদ্দিন আহমদ।