দেশের ভেতরে ফ্লাইট পরিচালনার জন্য জেট ফুয়েলের দাম লিটারে ১৩০ টাকা ৯৯ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা আগে ছিল ১৫০ টাকা ২১ পয়সা। আর আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের জন্য প্রতি লিটারের দাম ০.৯৮০৮ ডলার থেকে কমিয়ে ০.৮৫৫৬ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দর গতকাল রাত ১২টা থেকেই কার্যকর হয়েছে।
বিইআরসি গত বছরের মে থেকে প্রতি মাসে দাম সমন্বয় করছে। এর আগে গত মাসে কমানো হয় ১৫ টাকা ৬৭ পয়সা। তার আগের মাসে দুই দফায় কমে ৬১ টাকা ১২ পয়সা। যদিও মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর মার্চে দুই দফায় ১০৭ টাকা ও এপ্রিলে এক দফায় ২৪ টাকা ৭৯ পয়সা বেড়েছিল। যুদ্ধ শুরুর আগে ফেব্রুয়ারিতে জেট ফুয়েলের দাম ছিল লিটারে ৯৫ টাকা ১২ পয়সা। আগে জেট ফুয়েলের দাম নির্ধারণ করত বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। তবে নির্বাহী আদেশে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম নির্ধারণের ধারা অন্তর্বর্তী সরকার বাতিল করে। এরপর ২০২৪ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর এক প্রজ্ঞাপনে ফার্নেস অয়েল, জেট এ-১-এর দাম নির্ধারণের এখতিয়ার বিইআরসিকে দেয়া হয়। প্রজ্ঞাপনের পর ২০২৫ সালের ২৩ মার্চ জেট ফুয়েলের দাম নির্ধারণে গণশুনানি গ্রহণ করে সংস্থাটি। এরপর থেকে প্রতি মাসে দাম সমন্বয় করা হচ্ছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ হামলা চালায়। এরপর ইরান মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে হামলা শুরু করলে তেলসমৃদ্ধ ওই অঞ্চলের পুরোটাজুড়ে যুদ্ধ বিস্তৃত হয়। দুই পক্ষের হামলার লক্ষ্যবস্তু হয় জ্বালানি স্থাপনাগুলো। এতে জ্বালানির দাম অস্থির হয়ে ওঠে বিশ্ববাজারে। এরপর যুদ্ধবিরতি শুরু হলে দাম কমতে শুরু করে।