২০৩০ সালের মধ্যে বিদ্যুতের ২০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদনের লক্ষ্য সরকারের: শামা ওবায়েদ

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে সরকারের গুরুত্ব ও উদ্বেগের প্রতিফলন হিসেবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ক্লাইমেট উইং খোলা হয়েছে। আন্তর্জাতিক জলবায়ু সম্মেলন (কপ) ও অন্যান্য বৈশ্বিক ফোরামে বাংলাদেশের স্বার্থ তুলে ধরতেও কাজ করছে সরকার।

২০৩০ সালের মধ্যে দেশের মোট বিদ্যুতের ২০ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎস থেকে উৎপাদনের লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি বলেন, জ্বালানি খাতের বিদ্যমান সমস্যা সমাধানের পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে চেঞ্জ ইনিশিয়েটিভ আয়োজিত এক জাতীয় সংলাপে তিনি এসব কথা বলেন।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে সরকারের গুরুত্ব ও উদ্বেগের প্রতিফলন হিসেবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ক্লাইমেট উইং খোলা হয়েছে। আন্তর্জাতিক জলবায়ু সম্মেলন (কপ) ও অন্যান্য বৈশ্বিক ফোরামে বাংলাদেশের স্বার্থ তুলে ধরতেও কাজ করছে সরকার।

সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগ তুলে ধরে তিনি বলেন, এ-সংক্রান্ত একটি আইন মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেয়েছে। আগামী সংসদে আইনটি পাস হওয়ার কথা রয়েছে। এটি কার্যকর হলে নেট মিটারিং কার্যক্রম সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হবে। এর ফলে গ্রাহকরা নিজেদের উৎপাদিত অতিরিক্ত সৌরবিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করতে পারবেন।

সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোয় সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ানোর পরিকল্পনার কথা জানিয়ে শামা ওবায়েদ বলেন, সরকারি অফিসগুলোয় সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সংসদ ভবন, সচিবালয়সহ গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনাগুলোয় সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনের পরিকল্পনাও রয়েছে।

জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষয়ক্ষতির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বৈশ্বিক কার্বন নিঃসরণে বাংলাদেশের দায় তুলনামূলকভাবে কম হলেও জলবায়ু সংকটের কারণে দেশটি ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়ছে। এ পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষায় সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি আরো বলেন, জলবায়ু কূটনীতিকে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। আন্তর্জাতিক জলবায়ু আলোচনায় বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরার পাশাপাশি দেশের জন্য কার্যকর ফলাফল নিশ্চিত করতে বৈশ্বিক পর্যায়ে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

আরও