রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নে পরীক্ষার্থীর নাম ও রোল নম্বর গোপন রেখে কোডিং পদ্ধতি চালু হচ্ছে। ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষ থেকে ধাপে ধাপে এ পদ্ধতিতে উত্তরপত্র মূল্যায়ন করা হবে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার ছয়টি বিভাগের প্রতিনিধিদের কাছে কোডিং করা উত্তরপত্র ও পরীক্ষাসংক্রান্ত সরঞ্জাম হস্তান্তর করবেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ফরিদুল ইসলাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. হাসনাত কবীর এ তথ্য জানান।
প্রথম পর্যায়ে ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, সমাজকর্ম, পরিসংখ্যান, ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট এবং কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের পরীক্ষার্থীদের জন্য কোডিং করা উত্তরপত্র সরবরাহ করা হবে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতেই এ পদ্ধতি চালু করা হচ্ছে। এর আওতায় উত্তরপত্রে পরীক্ষার্থীর পরিচয়ের পরিবর্তে নির্দিষ্ট কোড ব্যবহার করা হবে। ফলে উত্তরপত্র মূল্যায়নের সময় পরীক্ষক পরীক্ষার্থীর পরিচয় জানতে পারবেন না।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ফরিদুল ইসলাম বণিক বার্তাকে বলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে কোডিং পদ্ধতির ব্যবহার শুরু হতে যাচ্ছে। এরই মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব বিভাগের জন্য প্রয়োজনীয় উত্তরপত্র প্রস্তুত করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে যেসব বিভাগের পরীক্ষা সামনে আসবে, নির্ধারিত সময়ে সেসব বিভাগের কাছে কোডিং করা উত্তরপত্র পৌঁছে দেয়া হবে।
তিনি আরো বলেন, ছয়টি বিভাগ তাদের পরীক্ষার তারিখ জানিয়েছে। আগামীকাল ওই ছয়টি বিভাগের জন্য প্রস্তুত করা কোডিং করা উত্তরপত্র সরবরাহ করা হবে। এর মধ্য দিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে কোডিং পদ্ধতির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হচ্ছে। এ পদ্ধতি চালুর ফলে উত্তরপত্র মূল্যায়নে স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বাড়বে এবং পরীক্ষার্থীদের ফলাফল প্রণয়নে আস্থা বৃদ্ধি পাবে।