আন্তর্জাতিক বাজারে চালের দাম এখন দেড় দশকে সর্বোচ্চে

চালের শীর্ষ রফতানিকারক দেশ প্রতিবেশী ভারত। সেখানে এখন চালের দাম বাড়ছে। বাজার অস্থিতিশীলতা মোকাবেলায় দেশটির সরকার স্থানীয় ব্যবসায়ীদের চাল রফতানিতে নিরুৎসাহিত করছে। আরোপ করা হয়েছে শুল্কসহ নানা ধরনের নীতিগত প্রতিবন্ধকতা। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ ইউনিট (এফপিএমইউ) এবং রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, দুই সপ্তাহ আগেও ভারত থেকে সবচেয়ে কম

চালের শীর্ষ রফতানিকারক দেশ প্রতিবেশী ভারত। সেখানে এখন চালের দাম বাড়ছে। বাজার অস্থিতিশীলতা মোকাবেলায় দেশটির সরকার স্থানীয় ব্যবসায়ীদের চাল রফতানিতে নিরুৎসাহিত করছে। আরোপ করা হয়েছে শুল্কসহ নানা ধরনের নীতিগত প্রতিবন্ধকতা। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ ইউনিট (এফপিএমইউ) এবং রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, দুই সপ্তাহ আগেও ভারত থেকে সবচেয়ে কম দামি ৫ শতাংশ ভাঙা (খুদযুক্ত) মোটা চালেরও রফতানি মূল্য ছিল প্রতি টন ৫২৬ ডলার। গত সপ্তাহে তা বেড়ে দাঁড়ায় সর্বনিম্ন ৫৩৩ থেকে সর্বোচ্চ ৫৪২ ডলারে। বর্তমানে এটি সর্বনিম্ন ৫৩৭ থেকে ৫৪৬ ডলারে রফতানি হচ্ছে। 

দাম আরো বেশি থাইল্যান্ডে। দুই সপ্তাহ আগে দেশটি থেকে রফতানির জন্য প্রতি টন চালের মূল্য ধরা হয়েছিল ৬৫২ ডলার। গত সপ্তাহে তা আকস্মিকভাবেই ৬৬৫ ডলারে উঠে যায়। বর্তমানে বাজার কিছুটা সংশোধন হয়ে দেশটি থেকে প্রতি টন চাল রফতানি হচ্ছে সর্বোচ্চ ৬৫৮ ডলারে। 

ভিয়েতনামের স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, দেশটি থেকে প্রতি টন ৫ শতাংশ ভাঙা চাল রফতানি হচ্ছে ৬৫৩ ডলারে। গৃহযুদ্ধের কারণে চালের বৃহৎ আরেক উৎস মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে চাল আমদানি এখন এক প্রকার বন্ধ।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে রফতানিকারক দেশগুলোর মূল্যতালিকা বিশ্লেষণের ভিত্তিতে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, বিশ্ববাজারে চালের দাম এখন প্রায় দেড় দশকে সর্বোচ্চে। ঠিক এ মুহূর্তে দেশের বাজারেও চালের দামে দেখা দিয়েছে অস্থিতিশীলতা। অর্থবছরের শুরুতে সরকার চাল আমদানি না করার সিদ্ধান্ত নিলেও স্থানীয় বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন করে আমদানি শুরুর পরিকল্পনা করছে বাংলাদেশ সরকার। নেয়া হয়েছে চাল আমদানিতে শুল্ক হ্রাসের উদ্যোগ। এরই মধ্যে দেশের প্রধান খাদ্যপণ্যটি আমদানিতে শূন্য শুল্কের সুবিধা চেয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) চিঠি দিয়েছে খাদ্য মন্ত্রণালয়। 

যদিও তাতে বাজারে খুব একটা প্রভাব দেখা যাবে না বলে মনে করছেন চাল ব্যবসায়ীরা। তাদের ভাষ্যমতে, এ উদ্যোগে সাড়া দিয়ে শুল্ক পুরোপুরি মওকুফ করে দিলেও পণ্যটির আমদানি মূল্য হবে অভ্যন্তরীণ বাজারের চেয়ে বেশি। 

চলতি অর্থবছরের শুরুতে চাল আমদানি না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সরকার। তবে চালের স্থানীয় বাজারের সাম্প্রতিক অস্থিতিশীলতা এ সিদ্ধান্ত নিয়ে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করেছে সরকারকে। পরিকল্পনা করা হচ্ছে চাল আমদানিতে শুল্ক কমানোর। যদিও বাজার পর্যবেক্ষকরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজার থেকে আমদানি করতে হলে এতে ব্যয় হবে দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারমূল্যের চেয়েও বেশি। এর পাশাপাশি পরিবহন খরচ ও আনুষঙ্গিক বিবেচনায় নিলে আমদানির ব্যয় আরো অনেক বেড়ে যাবে। সেক্ষেত্রে তা বাজার স্থিতিশীল করতে কতটা ভূমিকা রাখতে পারে, তা নিয়ে রয়েছে ব্যাপক সংশয়। বরং বাজার আরো অস্থিতিশীল হয়ে ওঠার আশঙ্কা রয়েছে বলেও মত দিয়েছেন অনেকে। 

বাজার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গত অর্থবছরের শুরুতে বিশ্ববাজারে চালের দাম ছিল কম। তখন কিছু পরিমাণ চাল আমদানি করা হলে বাজারে স্থিতিশীলতা রাখতে ভূমিকা রাখত। কিন্তু একেবারেই আমদানি না হওয়ায় তা বাজারে চালের মূল্যবৃদ্ধিতে প্রভাবক হিসেবে কাজ করেছে বলে মনে করছেন তারা।

বাংলাদেশ ৫ শতাংশ ভাঙা সেদ্ধ চাল আমদানি করে সবচেয়ে বেশি। আবার দেশের আমদানীকৃত চালের প্রায় ৭৩ শতাংশ আসে ভারত থেকে। ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর থেকে গত বছরের আগস্ট পর্যন্ত কয়েক দফায় পণ্যটি রফতানিতে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে দেশটির সরকার। ২০২২ সালের ৯ সেপ্টেম্বর ভাঙা চাল রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে দেশটি। এরপর আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে গত বছরের ২০ জুলাই থেকে সব ধরনের নন-বাসমতী চাল রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে ভারত সরকার। এছাড়া গত ৫ আগস্ট সেদ্ধ চাল রফতানিতে ২০ শতাংশ শুল্কারোপ করা হয়। 

চাল আমদানিতে ব্যবসায়ীদের চাপ বাড়াচ্ছে ডলারের বিপরীতে টাকার বিনিময় হারে ক্রমাগত পতন। বাংলাদেশ ব্যাংক আন্তঃব্যাংক লেনদেনে ডলারের আনুষ্ঠানিক বিনিময় হার নির্ধারণ করেছে ১১০ টাকা। সে অনুযায়ী এর পরও প্রতি কেজি চালের দাম পড়ে ৬০ টাকা ৬ পয়সা। তবে ব্যবসায়ীরা বলছেন, আমদানি পর্যায়ে প্রতি ডলার কিনতে ১২০ টাকার বেশি পরিশোধ করতে হচ্ছে। এ বিনিময় হারকে বিবেচনায় নিলে প্রতিবেশী ভারত থেকে চালের আমদানি মূল্য পড়ে প্রতি টন ৬৫ টাকা ৫২ পয়সা। 

থাইল্যান্ড থেকে ৫ শতাংশ ভাঙা সেদ্ধ চালের দাম পড়ে প্রতি টন ৬৫৮ ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংক অনুমোদিত বিনিময় মূল্যে দেশটি থেকে চালের শুধু আমদানি মূল্য দাঁড়ায় ৭২ টাকা ৩৮ পয়সা। আর ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে আমদানিকারকের ডলার সংগ্রহের ব্যয় ১২০ টাকা ধরলে প্রতি কেজির মূল্য পড়ে ৭৮ টাকা ৯৬ পয়সা। একইভাবে অনুমোদিত মূল্যে সংগৃহীত ডলার দিয়ে ভিয়েতনাম থেকে প্রতি কেজি চালের আমদানি মূল্য পড়ে ৭১ টাকা ৮৩ পয়সা। আর ১২০ টাকা বিনিময় হারে সংগৃহীত ডলারে ভিয়েতনামি চালের শুধু আমদানি মূল্যই পড়ে ৭৮ টাকা ৩৬ পয়সা। 

৫ শতাংশ ভাঙা সেদ্ধ চাল মাঝারি ক্যাটাগরির চাল। দেশে এ ক্যাটাগরির চালের মধ্যে রয়েছে ব্রি-২৮ এবং পাইজাম জাতের চাল। ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে মাঝারি ধরনের এসব চাল বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৫২-৫৬ টাকা দরে। যদিও বাজারে ব্রি-২৮ ও পাইজাম বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৫৬-৫৮ টাকা দরে। ভারত থেকে ডলারের অনুমোদিত বিনিময় হারে চাল আমদানি করলেও শুধু আমদানি মূল্য পড়ে দেশের বাজারে সর্বোচ্চ খুচরা বিক্রয়মূল্যের চেয়েও কেজিতে অন্তত ২ টাকা বেশি। কার্ব মার্কেটে সংগৃহীত ডলারের ক্ষেত্রে বাড়তি খরচ পড়ে দেশের খুচরা বাজারের সর্বোচ্চ মূল্যের তুলনায় প্রায় সাড়ে ৭ টাকা বেশি। পরিবহন ও বিপণন খরচ যুক্ত হলে এ ব্যয় আরো বাড়বে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। আর থাইল্যান্ড বা ভিয়েতনাম থেকে আমদানি করলে খরচ পড়বে আরো অনেক বেশি। 

বিশ্বব্যাংকের নিয়মিত মাসিক প্রতিবেদনের (পিংকশিট) তথ্য অনুযায়ী, থাইল্যান্ডের প্রতি টন ৫ শতাংশ ভাঙা চালের গড় মূল্য গত অর্থবছরের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে ছিল ৬০০ ডলার। এরপর অক্টোবরে ৫৯০ ডলার, নভেম্বরে ৫৯৮ ও ডিসেম্বরে ছিল ৬৪৪ ডলার। অর্থাৎ শুধু ডিসেম্বরেই পণ্যটির দাম বেড়েছে টনে ৪৬ ডলার। এরপর জানুয়ারিতে তা আরো বেড়েছে। 

চাল আমদানিকারকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি সেদ্ধ চাল আমদানি করে। কয়েক মাস আগেও আন্তর্জাতিক বাজারে চালের দাম ছিল কম। কিন্তু তখন সরকারিভাবে চাল আমদানির অনুমতি দেয়া হয়নি। এখন চাল আমদানি করতে গেলে আমদানি খরচই পড়বে বাজারমূল্যের চেয়ে অনেক বেশি। 

এ বিষয়ে চাল আমদানিকারক ও হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুনুর রশিদ বণিক বার্তাকে বলেন, ‘‌ব্যবসা সহজীকরণ করতে হবে। আমদানির অনুমতি (আইপি) করে এলসি খুলে আমরা আমদানি করব। কিন্তু এমন সব নিয়ম-কানুন দিয়ে রাখা হয়েছে তাতে আমদানি করতেও নানা ঝামেলা পোহাতে হয়। এখন বাজারে চালের দাম বাড়ছে। সময়টা সংকটের। এত নিয়ম-কানুন রেখে চালের বাজার নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন।’ 

দেশে চালের আমদানি শুল্ক সাড়ে ৬২ শতাংশ। চলতি অর্থবছরে এখনো কোনো চাল আমদানি করেনি বাংলাদেশ। তবে চলতি মাসে চালের বাজার অস্থিতিশীল হয়ে উঠলে চাল আমদানি না করার সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে সরকার। সর্বশেষ খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে শুল্ক ছাড়ের আবেদন জানানো হলে মন্ত্রিসভার বৈঠকে চালসহ চার পণ্যের আমদানিতে শুল্ক কমানোর ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী।

এর আগে শূন্য শুল্কে চাল আমদানির জন্য এনবিআরে আবেদন জানানো হয়েছে বলে গত ১৭ জানুয়ারি গণমাধ্যমকে জানান খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। তখন তিনি প্রধানমন্ত্রী অনুমতি দিলে চাল আমদানি হবে বলে জানান। এফপিএমইউ সূত্রে জানা যায়, গত ডিসেম্বর পর্যন্ত চাল আমদানির জন্য এলসি খোলা হয়েছে মাত্র ১২ হাজার টন। এর মধ্যে চার হাজার টন চালের এলসি নিষ্পত্তি হয়েছে। আর ২০২২-২৩ অর্থবছরে ১০ লাখ ৫৬ হাজার টন, ২০২১-২২ অর্থবছরে ৯ লাখ ৮৮ হাজার টন, ২০২০-২১ অর্থবছরে ১৩ লাখ ৫৯ হাজার টন চাল আমদানি করা হয়। 

নাম অপ্রকাশিত রাখার শর্তে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বণিক বার্তাকে বলেন, ‘‌আন্তর্জাতিক বাজারে চালের যে দাম তাতে দেশের বাজারে এর চেয়ে কম দামে পাওয়া যাচ্ছে। ভিয়েতনাম বা থাইল্যান্ড থেকে শূন্য শুল্কে চাল আমদানি করলেও এখন বেশি দামে করতে হবে।’

অর্থবছরের শুরুতেই কিছু পরিমাণ চাল আমদানি করা প্রয়োজন ছিল উল্লেখ করে সাবেক খাদ্য সচিব আব্দুল লতিফ মন্ডল বণিক বার্তাকে বলেন, ‘‌দেশে এখন কত চাল মজুদ আছে তার কোনো হিসাব নেই। উৎপাদন আর চাহিদার তথ্য নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। এ কারণে এখন সরবরাহ বাড়াতে আমদানি করা প্রয়োজন। আন্তর্জাতিক বাজারে এখন চালের দাম অনেক বেশি। গত অর্থবছরের শুরুর দিকেই কিছু পরিমাণ চাল আমদানির প্রয়োজন ছিল। তাহলে অনেক টাকা কম খরচ হতো। আগামী মার্চের শেষদিকে চালের বাজার কোন অবস্থায় থাকে তা নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। অন্তত সরকারিভাবে তিন-চার লাখ টন চাল আমদানি করা প্রয়োজন। আবার ডলার সংকটও এখানে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।’ 

তবে আমদানির বিষয়ে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, আমন মৌসুম কেবল শেষ হয়েছে। এরই মধ্যে কৃষকের কাছ থেকে বিভিন্ন চালকল ধান কিনে নিয়েছে। তারাই ধান-চাল মজুদ করে বাজারকে অস্থিতিশীল করে তুলেছে। খাদ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, বিভিন্ন জেলায় চাল মজুদবিরোধী অভিযান চলমান রয়েছে। গতকাল দেশের বিভিন্ন স্থানে মজুদবিরোধী অভিযান চালিয়ে প্রায় ৩ লাখ ৩৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

দেশে বর্তমানে চালের মজুদ রয়েছে প্রায় সাড়ে ১৪ লাখ টন। যদিও চলতি অর্থবছরের শুরুতে অর্থাৎ গত জুলাইয়ে চালের মজুদ ছিল ১৭ লাখ ৬০ হাজার টন। চলছে আমন মৌসুমের ধান-চাল সংগ্রহ। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের দাবি, আমন মৌসুমের সংগ্রহ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। সংগ্রহ শেষ হলে খাদ্যশস্যের মজুদ পর্যাপ্ত হয়ে যাবে। 

খাদ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, চলতি আমন মৌসুমের শুরুর দিকে দুই লাখ টন আমন ধান, চার লাখ টন সেদ্ধ চাল ও এক লাখ টন আতপ চাল কেনার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। যদিও পরবর্তী সময়ে আরো দুই লাখ টন আমন চাল সংগ্রহের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এ পর্যন্ত ১৯ হাজার টন ধান, ৪ লাখ ২৪ হাজার টন চাল ও ৪২ হাজার টন আতপ চাল সংগ্রহ হয়েছে। এ সংগ্রহ কার্যক্রম চলবে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব (বৈদেশিক সংগ্রহ) মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান বণিক বার্তাকে বলেন, ‘বাজারে চালের সরবরাহ পর্যাপ্ত রয়েছে। কিন্তু মিল পর্যায়ে চালের দাম বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে। এ কারণে শূন্য শুল্কে আমদানি চালু থাকলে দাম নিয়ন্ত্রণে থাকবে। কেউ চাইলেই তখন আমদানি করতে পারবে।’

আরও