নির্বাচন কমিশনার মো. আনিছুর রহমান বলেছেন, ‘নির্বাচনে কোনো কর্মকর্তা নিরপেক্ষতা হারালে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। পাশাপাশি তাদের বিভাগীয় ব্যবস্থারও মুখোমুখি হতে হবে। যারা নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করছেন তারা রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন করছেন। তারা রাষ্ট্রের কর্মচারী; কোনো দলের কর্মচারী না। কোনো সরকারের কর্মচারী না। তাকে চাকরিতে থাকতে হলে নির্বাচন কমিশনকে সহায়তা দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন যাকে যেখানে প্রয়োজন তাকে সেখানে দায়িত্ব দিয়েছে। যদি সে দায়িত্ব পালন না করেন তাহলে অপরাধের জন্য দায়ী হবেন।’
তিনি জানান, ২৯ ডিসেম্বর মাঠে নামবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। গতকাল ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নির্বাচনসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও প্রার্থীদের সঙ্গে সভা শেষে ইসি আনিছুর রহমান এসব কথা বলেন।
ভোট নিয়ে তিনি বলেন, ‘ভোট সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে। ব্যালট পেপার সকালে কেন্দ্রে যাবে। পাশাপাশি ব্যালটের যে অংশ ভোটারকে দেয়া হবে তাতে আগে শুধু সিল দিলে হতো, এখন সহকারী প্রিসাইডিং অফিসারের স্বাক্ষর থাকতে হবে।’
এ সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেন, বিজিবি ২৫ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল সৈয়দ আরমান আরিফ, ৬০ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল আশিক হাসান উল্লাহসহ বিভিন্ন পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।