কুড়িগ্রামে নদীর স্রোতে ভেসে এলো মৃত গন্ডার

স্থানীয়রা জানান, উজান থেকে কয়েক দিন ধরে নদীর পানির সঙ্গে হাজার হাজার গাছের গুড়ি, মৃত গরু, মৃত মাছ ও জীবন্ত সাপ ভেসে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার দেখা যায় মৃত একটি গন্ডার ভেসে এসে চরে আটকা পড়েছে। খবর পেয়ে এলাকাবাসী বিষয়টি জনপ্রতিনিধিদের জানান।

কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারীতে ভারত থেকে ভেসে এসেছে একটি মৃত গন্ডার। মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় দুধকুমার নদে ভেসে আসা গন্ডারটি উপজেলার তিলাই ইউনিয়নের দক্ষিণ ছাট গোপালপুর গ্রামের চরে আটকা পড়ে। ধারণা করা হচ্ছে, নদীর প্রবল স্রোতে ভেসে আসার সময় কোনো কিছুর সঙ্গে ধাক্কার কারণে গন্ডারটি মারা যায়।

স্থানীয়রা জানান, উজান থেকে কয়েক দিন ধরে নদীর পানির সঙ্গে হাজার হাজার গাছের গুড়ি, মৃত গরু, মৃত মাছ ও জীবন্ত সাপ ভেসে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার দেখা যায় মৃত একটি গন্ডার ভেসে এসে চরে আটকা পড়েছে। খবর পেয়ে এলাকাবাসী বিষয়টি জনপ্রতিনিধিদের জানান।

ঘটনা জানার পর তিলাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কামরুল ইসলাম সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে অবহিত করেন। পরে কুড়িগ্রাম রেঞ্জ কর্মকর্তা (সামাজিক বনায়ন) সাদিকুল ইসলাম, যমুনা সেতু আঞ্চলিক যাদুঘরের কিউরেটর জুয়েল রানা ও উপজেলা বন কর্মকর্তা সেকেন্দার আলী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

কুড়িগ্রাম রেঞ্জ কর্মকর্তা সাদিকুল ইসলাম জানান, গন্ডারটি বড় ও ভারী হওয়ায় অন্যত্র স্থানান্তর করা সম্ভব নয়। তাই চরের মধ্যেই গর্ত করে পুঁতে ফেলার জন্য ইউপি চেয়ারম্যানকে বলা হয়েছে। এছাড়া জাদুঘরের লোকজন এসেছেন। তারা এর হাড়গোড় সংগ্রহ করবেন।

যমুনা সেতু আঞ্চলিক জাদুঘরের কিউরেটর জুয়েল রানা জানান, নিরাপত্তার জন্য গন্ডারটি পলিথিন দিয়ে ঢেকে দেয়া হয়েছে। এর দেহ পচন প্রক্রিয়া দুই মাস পর্যন্ত চলবে। পচন ক্রিয়া শেষ হলে হাড়গোড় সংগ্রহ করে যমুনা সেতু আঞ্চলিক জাদুঘরে সংরক্ষণ করা হবে। এসব হাড়গোড় পরবর্তীতে শিক্ষা ও গবেষণা কাজে ব্যবহার করা হবে।

আরও