বাগেরহাটে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী শিপন

কাজী খায়রুজ্জামান শিপন বলেন, নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য হুমকি অব্যাহত রাখা হচ্ছে। এমনকি জামায়াত প্রার্থীর অফিস পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। এ অবস্থায় মনে করি মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলা উপজেলায় লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হয়নি। প্রশাসনের লোকজন আমাদের সহযোগিতা করার চেষ্টা করলেও, তারা পারেনি।

নিজের ও কর্মীদের জীবনের শঙ্কা আছে দাবি করে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন বাগেরহাট-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী (হরিণ প্রতীক) কাজী খায়রুজ্জামান শিপন।

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বাগেরহাট প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ঘোষণা দেন। এসময় তার অনুসারী বিএনপি কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মুঠোফোনে প্রাণ নাশের হুমকির অভিযোগ এনে মোরেলগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন তিনি।

কাজী খায়রুজ্জামান শিপন বলেন, আপনারা জানেন কয়েকদিন ধরে আমাকে ও আমার নেতাকর্মীকে নানাভাবে হুমকি দিচ্ছে। আমাকে বিদেশী নাম্বার থেকে ফোন করে হত্যার হুমকি দেয়া হয়েছে। সার্বিক বিষয়ে এ নির্বাচনে থাকলে আমার ও আমার নেতাকর্মীদের জীবনের শঙ্কা রয়েছে। তাই আমি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালাম।

তিনি আরো বলেন, নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য হুমকি অব্যাহত রাখা হচ্ছে। এমনকি জামায়াত প্রার্থীর অফিস পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। এ অবস্থায় মনে করি মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলা উপজেলায় লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হয়নি। প্রশাসনের লোকজন আমাদের সহযোগিতা করার চেষ্টা করলেও, তারা পারেনি। এ অবস্থায় আমরা মনে করি প্রত্যন্ত (রিমোট) এলাকা মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা উপজেলায় সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না। তাই আমরা নির্বাচনে প্রার্থীতার পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছি।

দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে নির্বাচন করার অপরাধে গত ২১ জানুয়ারি কাজী খায়রুজ্জামান শিপনকে বিএনপি থেকে বহিস্কার করা হয়।

বাগেরহাট-৪ (মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ছাড়াও বিএনপির প্রার্থী সোমনাথ দে, জামায়াতের অধ্যক্ষ আব্দুল আলিম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ওমর ফাকুর নূরী, জাতীয় পার্টির সাজন কুমার মিস্ত্রি ও জাতীয় সমাজ তান্ত্রিক দল(জেএসডি) আব্দুল লতিফ খান নির্বাচন করছেন।

আরও