এ ঘটনায় বেনাপোল কাস্টম হাউজের নিলাম শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা (এআরও) ইন্দ্রজিৎ মুখার্জি, কাভার্ড ভ্যানের চালক মহসিন আলী ও হেলপার জাহিদ হাসানকে আটক করা হয়েছে।
জানা যায়, ঘটনার সূত্রপাত বেনাপোল কাস্টম হাউজের নিলাম শাখা থেকে জারি করা একটি সরকারি পত্রকে ঘিরে। চলতি বছরের ২৪ মে জারি করা ওই পত্রে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) স্থায়ী আদেশের আলোকে বেনাপোল কাস্টম হাউজে আটক থাকা ত্রাণযোগ্য পণ্য প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণভাণ্ডারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়া হয়। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, ত্রাণভাণ্ডারে পাঠানোর জন্য নির্ধারিত পণ্যের মধ্যে ছিল ৩ হাজার ২২টি শাড়ি, ৫৮টি থ্রিপিস, ২০৮টি চাদর, ২৬৩টি কম্বল ও ৮টি ওড়না। সর্বমোট ৩ হাজার ৫৫৯টি ত্রাণসামগ্রী ঢাকার তেজগাঁওয়ে অবস্থিত প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণভাণ্ডারে পৌঁছে দেয়ার কথা ছিল।
পত্রে গুদাম কর্মকর্তা ও সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা ইন্দ্রজিৎ মুখার্জিকে পণ্য হস্তান্তরের দায়িত্ব দেয়া হয় এবং প্রাপ্তিস্বীকারপত্র (সিআরডি) সংগ্রহ করে কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়। এ কাজে সহায়তার জন্য কাস্টমসের এক কর্মচারীকেও তার সঙ্গে ঢাকায় যাওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছিল।
অভিযোগ রয়েছে, নির্দেশনার প্রায় এক মাস পর তারা ত্রাণসামগ্রী পরিবহনের কথা বলে দুটি কাভার্ড ভ্যানে বিপুল পরিমাণ প্রসাধনসামগ্রী বোঝাই করে পাচারের চেষ্টা করে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বিজিবি একটি কাভার্ড ভ্যানসহ তিনজনকে আটক করে।
এ বিষয়ে যশোর ৪৯ ব্যাটালিয়ন বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।