মাদারীপুরে কোল্ড স্টোরেজে পচল ৩০ হাজার মণ আলু

মাদারীপুর কোল্ড স্টোরেজের মালিক মীর হাবিবুর রহমানের প্রায় ৩ কোটি টাকার আলু এভাবে নষ্ট হয়েছে।

অধিক মুনাফার আশায় দীর্ঘ সময় ধরে কোল্ড স্টোরেজে আলু মজুদ রাখায় তা পচে নষ্ট হয়ে গেছে। মাদারীপুর কোল্ড স্টোরেজের মালিক মীর হাবিবুর রহমানের প্রায় ৩ কোটি টাকার আলু এভাবে নষ্ট হয়েছে। বর্তমানে পচে যাওয়া এসব আলু বিনামূল্যে গরুর খাবার হিসেবে খামারি ও কৃষকদের মাঝে বিতরণ করা হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আলুর গুণগত মান ধরে রাখতে সাধারণত সংরক্ষণ মৌসুম থেকে সর্বোচ্চ ১০ মাস পর্যন্ত কোল্ড স্টোরেজে আলু সংরক্ষণ করা হয়। কিন্তু বেশি মুনাফার আশায় মীর হাবিবুর রহমান তার নিজের মালিকানাধীন মাদারীপুর কোল্ড স্টোরেজে প্রতি বস্তায় ৬০ কেজি করে ২০ হাজার বস্তা আলু মজুদ করে রেখেছিলেন।

মাদারীপুর কোল্ড স্টোরেজের ম্যানেজার আবদুল করিম বলেন, ‘এ আলু ২০২৫ সালের মার্চে সংরক্ষণ করা হয়েছিল। আলু দীর্ঘদিন স্টোরেজে থাকার কারণে আলুর গুণগত মান নষ্ট হয়ে গেছে। খোলা জায়গায় ফেললে জনদুর্ভোগ হওয়ার সম্ভাবনা থাকায় এ আলু এখন বিনামূল্যে খামারি ও কৃষকদের বিতরণ করা হচ্ছে।’ তিনি আরো জানান, মাদারীপুর কোল্ড স্টোরেজে নষ্ট হওয়া ২০ হাজার বস্তা আলুতে প্রায় ৩০ হাজার মণ আলু রয়েছে, যার বর্তমান বাজারদর প্রায় ৩ কোটি টাকা।

পচে যাওয়া সব আলুর মালিক হাবিবুর রহমান। তিনি জানান, আলু কেন নষ্ট হয়ে গেছে সেটি তিনি এখনো জানতে পারেননি। তবে প্রাথমিকভাবে তার ধারণা, কোল্ড স্টোরেজের ভেতরে কোনো যান্ত্রিক ত্রুটি হতে পারে। তবে তা নিশ্চিত করতে ঢাকা থেকে এ বিষয়ে অভিজ্ঞ লোক এনে তিনি বিষয়টি নিশ্চিত করবেন।

এ বিষয়ে মাদারীপুর কৃষি বিপণন কর্মকর্তা রুবেল মিয়া জানান, তিনি মাদারীপুর কোল্ড স্টোরেজ পরিদর্শন করবেন। কেন আলু মজুদ করে বেশিদিন রাখা হয়েছিল, সেই বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন।

আরও