এবার নওগাঁর নিয়ামতপুরে ভোট গণনা ও ফলাফল ঘোষণার আগেই রেজাল্ট শিটে প্রিসাইডিং কর্মকর্তার স্বাক্ষর ও সিল দেয়ার প্রমাণ মিলেছে।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার বামইন উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। প্রিসাইডিং কর্মকর্তা নিয়ম লঙ্ঘনের বিষয়টি অকপটে স্বীকার করলেও ব্যবস্থা নেয়ার এখতিয়ার নেই বলে জানান সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও নিয়ামতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছা. মুর্শিদা খাতুন।
অভিযুক্ত প্রিসাইডিং কর্মকর্তার নাম আব্দুল কাদের। তিনি সোনলী ব্যাংক পিএলসি নিয়ামতপুর শাখার সিনিয়র অফিসার (ক্যাশ) পদে কর্মরত রয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোটগ্রহণ চলাকালেই নির্ধারিত ফলাফল শিটে প্রিসাইডিং কর্মকর্তা নিজের স্বাক্ষর ও পদবি সম্বলিত সিল দিয়ে রাখেন। নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী, ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর পোলিং এজেন্টদের উপস্থিতিতে ভোটগণনা সম্পন্ন করে ফলাফল শিট পূরণ ও স্বাক্ষর করার কথা।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রিসাইডিং কর্মকর্তা আব্দুল কাদের ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ভোটগ্রহণ শেষে ফলাফল প্রস্তুত করতে সময় লাগে। তখন সময় স্বল্পতা দেখা দিতে পারে। তাই কাজের সুবিধার্থে ও সময় সাশ্রয়ের চিন্তা থেকে আগেই স্বাক্ষর করে রেখেছি। তবে এটি নিয়মসম্মত ভাবে হয়নি, আইনের লঙ্ঘন করেছি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নিয়ামতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মোছা. মুর্শিদা খাতুন বলেন, আইনলঙ্ঘনকারী কর্মকর্তা এ বিষয়ে ভালো বলতে পারবেন। উনাকেই জিজ্ঞেস করেন৷
সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে ব্যবস্থা নিতে পারেন কী না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ইলেক্ট্রোরাল ইনকোয়ারি কমিটি রয়েছে। তাদের কাছে অভিযোগ করতে পারেন।৷ সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে এ বিষয়ে দেখার এখতিয়ার আমার নেই।