থানায় হত্যা মামলা

খাদেমুলের দাফন সম্পন্ন, পতাকা বৈঠকের আহ্বানে সাড়া দেয়নি বিএসএফ

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার বনচৌকি সীমান্তে ভারতীয় বিএসএফের গুলিতে নিহত খাদেমুল ইসলামের মরদেহের ময়নাতদন্ত শেষে গত শুক্রবার সন্ধ্যায় পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

এ ঘটনায় নিহতের বাবা আমজাদ হোসেন বাদী হয়ে হাতীবান্ধা থানায় অজ্ঞাতনামাদের নামে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। গতকাল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন হাতীবান্ধা থানার ওসি মো. রমজান আলী। এদিকে এ ঘটনায় লালমনিরহাট-১৫ বিজিবির পক্ষ থেকে বিএসএফকে কড়া প্রতিবাদ জানিয়ে পতাকা বৈঠকের আহ্বান জানিয়ে পত্র পাঠানো হলেও গতকাল রাত ৯টা পর্যন্ত সাড়া দেয়নি বিএসএফ।

হাতীবান্ধা থানার এসআই মো. জাহিদ হোসেন বলেন, ‘নিহত খাদেমুল ইসলামের মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করার সময় মাথার বাম পাশে, বাম হাতে, বুকের বাম দিকে ও পিঠের বাম দিকে গুলির ক্ষতচিহ্ন পাওয়া যায়। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনেও গুলিতে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।’

এদিকে বিএসএফের গুলিতে নিহত বাংলাদেশী খাদেমুল ইসলামের ঘটনায় লালমনিরহাট-১৫ বিজিবির পক্ষ থেকে বিএসএফকে কড়া প্রতিবাদ জানিয়ে পতাকা বৈঠকের আহ্বান জানিয়ে পত্র পাঠানো হলেও গতকাল রাত ৯টা পর্যন্ত সাড়া দেয়নি বিএসএফ। লালমনিরহাট-১৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের বনচৌকি ক্যাম্পের ইনচার্জ আব্দুল মান্নান বলেন, ‘এ ঘটনায় অভ্যন্তরীণ তদন্ত চলছে। বিজিবি-বিএসএফ পতাকা বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হলে বিস্তারিত জানানো হবে।’ লালমনিরহাট-১৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের পরিচালক লে. কর্নেল মেহেদী ইমামের ব্যবহৃত সরকারি মুঠোফোনে একাধিকবার কল করেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। ক্ষুদে বার্তারও কোনো উত্তর দেয়া হয়নি।

আরও