ইউএনওর ওপর হামলা

প্রধান আসামির ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর আরো ২ জন গ্রেফতার

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ওয়াহিদা খানম ও তার বাবা ওমর আলীর ওপর হামলার ঘটনায় গ্রেফতারকৃত প্রধান আসামি আসাদুল হকের সাতদিনের রিমান্ডের আদেশ প্রদান করেছেন দিনাজপুর সিনিয়র জুডিশিয়াল আদালত।

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ওয়াহিদা খানম ও তার বাবা ওমর আলীর ওপর হামলার ঘটনায় গ্রেফতারকৃত প্রধান আসামি আসাদুল হকের সাতদিনের রিমান্ডের আদেশ প্রদান করেছেন দিনাজপুর সিনিয়র জুডিশিয়াল আদালত।

রোববার বিকাল সাড়ে ৫টায় আটক আসামি আসাদুল হককে (৩৫) দিনাজপুরের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ঘোড়াঘাট আমলি আদালত-৭-এর বিজ্ঞ বিচারক মো. মনিরুজ্জামান সরকারের আদালতে হাজির করা হয়।

এ মামলার নতুন তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি ইন্সপেক্টর ইমাম আবু জাফর আটক আসামির ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। বিচারক সাতদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

দিনাজপুর ডিবি ওসি ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ইমাম জাফর জানান, রোববার বিকাল ৫টায় আসামিকে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মনিরুজ্জামান সরকারের আদালতে নেয়া হয়। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে আদালত শুনানি শেষে সাতদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। নির্বাহী কর্মকর্তা ও তার বাবা ওমর আলী শেখকে হত্যা চেষ্টা মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য শাহাজাহান ও সোহেল রানা নামের আরো দুজনকে আটক করেছে পুলিশ।

রোববার ভোরে তাদের আটক করে পুলিশ। আটককৃতরা হলেন ঘোড়াঘাট উপজেলার বানিয়াল পালশা গ্রামের খোকা শেখের ছেলে শাহজাহান শেখ এবং চক বাসুনিয়া বিশ্বনাথপুর গ্রামের আব্দুর রহিমের ছেলে সোহেল রানা।

এর আগে শনিবার সন্ধ্যায় হত্যাচেষ্টা মামলার প্রধান আসামি আসাদুলের বড় ভাই আশরাফুল ইসলাম, ইউএনওর বাসভবনের মালি একই গ্রামের সইমুদ্দিনের ছেলে সুলতান কবির ও মামলার অন্যতম আসামি শান্টু কুমারের আত্মীয় ধীরেন্দ্র নাথের ছেলে শ্যামল চন্দ্রকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়।

ঘোড়াঘাট থানার ওসি আমিরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, রোববার ভোরে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ওই তিনজনকে আটক করা হয়েছে। আটকৃতরা সবাই পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

আরও