অবৈধ পাথর উত্তোলন

সিলেটে চাপা পড়ে ফের শ্রমিকের মৃত্যু

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ভোলাগঞ্জে মাটি চাপা পড়ে ফের এক পাথর শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল বেলা ১১টায় উপজেলার কালাইরাগ এলাকার পাথর উত্তোলনের একটি গর্ত থেকে রুবেল মিয়া (২৪) নামে এ শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার করে কোম্পানীগঞ্জ থানা পুলিশ। এ সময় আহত অবস্থায় আরো দুজনকে উদ্ধার করা হয়। নিহত রুবেল মিয়া নেত্রকোনা জেলার কালিয়াপুরি থানার কৃষ্ণপুর গ্রামের ফরিদ মিয়ার ছেলে।

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ভোলাগঞ্জে মাটি চাপা পড়ে ফের এক পাথর শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল বেলা ১১টায় উপজেলার কালাইরাগ এলাকার পাথর উত্তোলনের একটি গর্ত থেকে রুবেল মিয়া (২৪) নামে শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার করে কোম্পানীগঞ্জ থানা পুলিশ। সময় আহত অবস্থায় আরো দুজনকে উদ্ধার করা হয়। নিহত রুবেল মিয়া নেত্রকোনা জেলার কালিয়াপুরি থানার কৃষ্ণপুর গ্রামের ফরিদ মিয়ার ছেলে।

স্থানীয় পুলিশ জানায়, হতাহত ব্যক্তিরাসহ আরো কয়েকজন শ্রমিক ওই গর্ত থেকে ঝুঁকিপূর্ণভাবে পাথর উত্তোলন করছিলেন। পাথর উত্তোলনকালে হঠাৎ টিলা ধসে মাটিচাপা পড়ে রুবেল মিয়া ঘটনাস্থলেই মারা যান দুজন আহত হন। পরে আহত দুজনকে উদ্ধার করে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রেরণ করা হয়। তারা হলেন কোম্পানীগঞ্জের কলাবাড়ী গ্রামের মইন উদ্দিনের স্ত্রী রাবেয়া বেগম নেত্রকোনার খালিয়াজুরি উপজেলার আমানীপুর গ্রামের মৃত নোয়াজ আলীর ছেলে আহাদ মিয়া।

জানা গেছে, ধস নামা গর্তটি পূর্ব ইসলামপুর ইউনিয়নের নং ওয়ার্ডের সদস্য নরুজ্জামান, তার ভাই উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফারুকুজ্জামান, কালিবাড়ী গ্রামের লতু মিয়ার ছেলে লায়েক, মাহমুদ মিয়ার ছেলে এরশাদ টুকেরগাঁও গ্রামের জুয়েলের মালিকানাধীন ছিল। স্থানীয়দের অভিযোগ, শ্রমিক দিয়ে অবৈধভাবে এখান থেকে পাথর উত্তোলন করাচ্ছিলেন তারা।

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুমন আচার্য জানান, পাথর শ্রমিক চাপা পড়ার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাই। সময় পুলিশ ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতায় একজনের মরদেহ দুজনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সজল কুমার কানু বলেন, শ্রমিক নিহতের ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

প্রসঙ্গত, বেসরকারি সংগঠন বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) তথ্যমতে, ২০১৭ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের নভেম্বর পর্যন্ত ভোলাগঞ্জের কোয়ারিগুলোয় পাথর উত্তোলনকালে ১২ জন শ্রমিক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান। এছাড়া গত তিন বছরে শাহ আরফিন টিলায় ২৬ জাফলংয়ে ২১ জন মারা যান। অন্যদিকে গোয়াইনঘাটের বিছনাকান্দিতে পাঁচ, কানাইঘাটের বাংলাটিলায় ছয় এবং লোভাছড়া উতমাছড়ার পাথর কোয়ারিতে পাথর তুলতে গিয়ে প্রাণ হারান চার শ্রমিক।

>>সিলেটে তিন বছরে ৭৪ পাথর শ্রমিকের মৃত্যু

>>অভিযান সত্ত্বেও থামছে না পাথর উত্তোলন, বাড়ছে প্রাণহানি

আরও