কুষ্টিয়া পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম ও তার স্ত্রী কামরুন্নাহার আলপনা এবং সার্ভেয়ার আব্দুল মান্নানের স্ত্রী রূপালী খাতুনের বিরুদ্ধে সম্পদের তথ্য গোপন ও মিথ্যা তথ্য দেয়ায় দুর্নীতি দমন কমিশন কুষ্টিয়ার সমন্বিত কার্যালয় মামলা করেছে। কমিশনের উপসহকারী পরিচালক নীল কমল পাল গতকাল কুষ্টিয়ার সিনিয়র দায়রা জজ আদালতে এ মামলা করেন।
দুদকের ওই কর্মকর্তা জানান, উল্লিখিত আসামিদের মধ্যে নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম ও তার স্ত্রী কামরুন্নাহার আলপনার কাছে সম্পদের বিবরণী চাওয়া হলে তাদের জ্ঞাত আয় হিসেবে ৩৬ লাখ টাকার তথ্য উপস্থাপন করেন। পরে দুদকের তদন্তে তাদের জ্ঞাত আয়ের বাইরে আরো ৫২ লাখ টাকার সম্পদের সন্ধান মেলে।
নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলামের স্ত্রী কামরুন্নাহার আলপনা কুষ্টিয়া শহরের একটি বেসরকারি কলেজের প্রভাষক পদে কর্মরত। অন্যদিকে সার্ভেয়ার আব্দুল মান্নানের স্ত্রী রূপালী খাতুন তার আয়ের ৩২ লাখ টাকার একটি তথ্য উপস্থাপন করেন। দুদকের তদন্তে তার জ্ঞাত আয়ের বাইরে আরো ৭২ লাখ টাকার সন্ধান পাওয়া যায়। তিনি পেশায় একজন গৃহিণী।
দুর্নীতি দমন কমিশন কুষ্টিয়ার সমন্বিত কার্যালয়ের আইনজীবী আল মুজাহিদ হোসেন মিঠু বণিক বার্তাকে জানান, আদালত মামলা গ্রহণ করেছেন। তবে মামলা শুনানির কোনো তারিখ আদালত দেননি।