ঢাবিতে জাপানিজ স্টাডিজ ডে কার্নিভাল শুরু

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) জাপানিজ স্টাডিজ বিভাগের উদ্যোগে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী জাপানিজ স্টাডিজ ডে-২০২৪-এর আয়োজন। বিভাগের সাত বছর পূর্তি উপলক্ষে গতকাল ডিজেএস কার্নিভাল: একাডেমিক, স্পোর্টস অ্যান্ড কালচার-২০২৪ শীর্ষক এ আয়োজনের উদ্বোধন করা হয়। সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মোজাফফর আহমেদ চৌধুরী অডিটোরিয়ামে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) জাপানিজ স্টাডিজ বিভাগের উদ্যোগে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী জাপানিজ স্টাডিজ ডে-২০২৪-এর আয়োজন। বিভাগের সাত বছর পূর্তি উপলক্ষে গতকাল ডিজেএস কার্নিভাল: একাডেমিক, স্পোর্টস অ্যান্ড কালচার-২০২৪ শীর্ষক এ আয়োজনের উদ্বোধন করা হয়। সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মোজাফফর আহমেদ চৌধুরী অডিটোরিয়ামে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম। প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. সীতেশ চন্দ্র বাছার। 

উদ্বোধনী আয়োজনে বিশেষ অতিথি ছিলেন নিউভিশন সলিউশন্স লিমিটেডের মহাপরিচালক তারেক রাফি ভূঁইয়া জুন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনকূটনীতি শাখার মহাপরিচালক সেহেলি সাব্রিন ও জাপান ফাউন্ডেশনের (দিল্লি অফিস) মহাপরিচালক কোজি সাতো। সম্মানিত অতিথি ছিলেন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. জিয়া রহমান। স্বাগত বক্তব্য দেন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ-আল-মামুন। বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শিবলী নোমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন রাষ্ট্রবিজ্ঞান অধ্যাপক ড. এএসএম আলী রেজা। এছাড়া ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা), মিৎসুবিশি করপোরেশন লিমিটেড, নিউভিশন সলিউশন্স লিমিটেড, জাপান-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্সের প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। তিন দিনব্যাপী এ আয়োজনের গণমাধ্যম সহযোগী বণিক বার্তা। 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে বর্তমানে তিন শতাধিক জাপানি কোম্পানি কাজ করছে। আরো নতুন নতুন কোম্পানি তাদের ব্যবসা সম্প্রসারণের আগ্রহ প্রকাশ করছে। বিদ্যমান কোম্পানিগুলোরও কলেবর ভবিষ্যতে আরো বাড়বে। এক্ষেত্রে এ বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য জাপানি কোম্পানিগুলোয় কাজ করার অবারিত সুযোগ রয়েছে। 

অধ্যাপক ড. সীতেশ চন্দ্র বাছার বলেন, ‘জাপানিজ স্টাডিজ বিভাগ অপেক্ষাকৃত নতুন হলেও শিক্ষা এবং সহশিক্ষা কার্যক্রমে পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সম্পর্কের ক্ষেত্রেও এ বিভাগ উদাহরণ সৃষ্টি করেছে।’

সেহেলি সাব্রিন বলেন, ‘এ বিভাগ জাপান-বাংলাদেশ সম্পর্ক অন্য ধাপে উন্নীত করার ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে।’ তারেক রাফি ভূঁইয়া জুন বলেন, ‘এ বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য জাপানি কোম্পানিগুলোয় কাজ করার অবারিত সুযোগ রয়েছে। এরই মধ্যে যারা কাজ করছেন, তারা বেশ সুনামের সঙ্গে বিভাগের নাম উজ্জ্বল করছেন।’ 

প্রসঙ্গত, প্রতিষ্ঠার পর থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষায়িত এ বিভাগ জাপান ও পূর্ব এশিয়ার অর্থনীতি, রাজনীতি, ব্যবসা, সমাজ, জাপানি ভাষা-সাহিত্য-সংস্কৃতি, দর্শন, ধর্ম, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও বিভিন্ন দিক নিয়ে গবেষণা ও অধ্যয়ন করে আসছে। প্রতিষ্ঠার সপ্তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে একাডেমিক আলোচনা, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন ধরনের উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।

আরও