এতে বিএনপি তাদের দায়িত্ব পালন করেনি বলে সংকট তৈরি হয়েছে। তারা জনগণের কাছে দেয়া ওয়াদা লঙ্ঘন করেছে।’
গতকাল বিকালে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা জেলা আয়োজিত দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের নাফিস কনভেনশন সেন্টারে এক দায়িত্বশীল সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জামায়াত আমির বলেন, ‘সংবিধান অনুযায়ী জনগণই সর্বোচ্চ ক্ষমতার উৎস হলেও বাস্তবে তাদের মতামতকে উপেক্ষা করা হচ্ছে। গণভোটের পক্ষে জনসমর্থন বেশি থাকার পরও তা অগ্রাহ্য করা হচ্ছে।’
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘ফ্যাসিবাদ একটি রোগ। নির্দিষ্ট রোগী মারা গেলেও ফ্যাসিবাদ মারা গেছে এটা বলা যাচ্ছে না। এটা একজন থেকে আরেকজনের মধ্যে সংক্রমিত হয় এবং সেই সংক্রমণ এরই মধ্যে আমরা লক্ষ করছি। জনগণের রায়কে অবলীলায় অগ্রাহ্য ও অস্বীকার করার নামই হচ্ছে ফ্যাসিবাদ। আমরা দেশে আর ফ্যাসিবাদ চাই না। এখন যারা সরকারি দলে তারাও বড় মজলুম ছিলেন, আমরাও বড় মজলুম ছিলাম। গোটা জাতি মজলুম ছিল। আসুন, আমরা আবারো জুলুমের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হই।’
জ্বালানি সংকট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সরকার বাস্তব পরিস্থিতি গোপন করছে। বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি হয়েছে এবং বেশি দামে তেল বিক্রি হচ্ছে।’ এ পরিস্থিতি মোকাবেলায় তিনি সরকারকে সব রাজনৈতিক দলকে নিয়ে খোলামেলা আলোচনায় বসার আহ্বান জানান।
স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় প্রশাসক নিয়োগের সমালোচনা করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘এতে জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের অধিকার খর্ব হচ্ছে।’ নির্বাচনে পরাজিত ব্যক্তিদের গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানোও অনৈতিক বলে তিনি মন্তব্য করেন।