সরকারি দপ্তর ও উন্নয়ন প্রকল্পে দলীয় সিন্ডিকেট চলবে না: আইনমন্ত্রী

আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, ‘সরকারি দপ্তর ও সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পে তিনি দলীয় কোনো সিন্ডিকেট চান না। বিএনপি ক্ষমতায় থাকায় দলের নেতাকর্মীরা কিছু সুবিধা পেতে পারেন, তবে এমন কোনো সুবিধা দেয়া হবে না, যাতে সরকারের বদনাম হয়।’

গতকাল ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মিলনায়তনে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘কোনো চাঁদাবাজ হাসপাতালে এসে চাঁদাবাজি করলে তা হয়তো তার ব্যক্তিগত লাভের বিষয় হতে পারে, কিন্তু এর দায় সরকার নেবে না। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের কারণে সরকারের ওপর যে কালিমা লাগবে, তা কোনোভাবেই মেনে নেয়া হবে না।’

তিনি বলেন, ‘সম্প্রতি বরিশালে দলীয় পরিচয় ব্যবহার করে জোরপূর্বক একজনকে ব্যাংকের চেক বইতে সই করে নেয়ার ঘটনা ঘটেছিল। কিন্তু সরকার রাত পার হতে দেয়নি, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হয়েছে।’

মন্ত্রী আরো বলেন, ‘অপরাধী সে দলের যত বড় নেতাই হোক না কেন, তার পরিচয় একটাই, সে অপরাধী। কেউ যদি মনে করেন, আওয়ামী লীগ লুটপাট করেছে আর সেই খালি জায়গায় গিয়ে তিনি নিজে বসবেন, তাহলে তিনি ভুলের স্বর্গে বাস করছেন। এ ধরনের ভুল ধারণার মধ্যে না থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, দলের বদনাম হয়, এমন কোনো কাজ কোনো দলীয় নেতাকর্মীর কাছ থেকে মেনে নেয়া হবে না।’

শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উন্নয়ন প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘৫০ শয্যার এ হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা বাড়ানোর চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি হাসপাতালে উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকার কিছু পরিকল্পনা গ্রহণ করছে। এ জনপদের মানুষের উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর।’

সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. নোমান হোসেন, পুলিশ সুপার মিয়া মোহাম্মদ আশীষ বিন হাছান, জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. কামরুজ্জামান, শৈলকুপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর রহমান এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. রাশেদ আল মামুন।

আরও