নেত্রকোনায় নারীকে কুপিয়ে হত্যা, আহত স্বামী ও ছেলে

নিহতের মেয়ে লিজা মণি জানান, রাত ৯টার দিকে বাসায় ঢুকে দেখেন বাবা ও ভাইকে রশিদ মিয়া আঘাত করছে। এসময় তিনি চিৎকার করলে আশপাশের মানুষ এসে বাবা ও ভাইকে উদ্ধার করেন। পরে খাটের নিচ থেকে মায়ের লাশ উদ্ধার করা হয়

নেত্রকোনায় শহরে নিজ বাসায় এক নারীকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এসময় আহত হন তার স্বামী ও ছেলে। ঘটনার পর ওই বাসা থেকে ‘হামলাকারীকে’ আটক করেছে পুলিশ।

গতকাল রাত ৮টা-৯টার মধ্যে শহরের কাটলী এলাকায় একটি বাড়ির দ্বিতীয় তলার ফ্ল্যাটে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত নারী হলেন মনোয়ারা বেগম (৫৫)। আহতরা হচ্ছেন তার স্বামী আবু চান (৬০) ও ছেলে মুন্না মিয়া (২৫)।

আটক আব্দুর রশিদ একই এলাকায় থাকেন, পেশায় তিনি অটো রিকশাচালক।

নিহতের মেয়ে লিজা মণি জানান, রাত ৯টার দিকে বাসায় ঢুকে দেখেন বাবা ও ভাইকে রশিদ মিয়া আঘাত করছে। এসময় তিনি চিৎকার করলে আশপাশের মানুষ এসে বাবা ও ভাইকে উদ্ধার করেন। পরে খাটের নিচ থেকে মায়ের লাশ উদ্ধার করা হয়।

তিনি জানান, হামলাকারী রশিদ তাদের পূর্বপরিচিত। প্রায়ই টাকা ধারের জন্য আসতেন।

স্থানীয়দের বরাতে নেত্রকোনা সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সজল কুমার সরকার জানান, ঘটনার সময় এলাকায় বিদ্যুৎ ছিল না। হামলাকারী প্রথমে মনোয়ারা বেগমকে কুপিয়ে হত্যা করে। এসময় ছেলে মুন্না মিয়া এগিয়ে গেলে তাকেও কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। একপর্যায়ে তাদের বাঁচাতে আবু চান এগিয়ে গেলে তাকেও কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। স্থানীয়রা ঘটনা টের পেয়ে ওই বাসাতেই হামলাকারী আব্দুর রশিদকে আটক করে।

তিনি আরো জানান, স্থানীয়রা আহত বাবা ও ছেলেকে উদ্ধার করে নেত্রকোনা সদর হাসপাতালে পাঠান। সেখানে ছেলে মুন্নার অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে পাঠানো হয় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রশিদকে আটক করে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্যে নেত্রকোনা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

আরও