খুলনার দৌলতপুর থানা যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি মাহবুবুর রহমান মোল্লাকে (৩৮) গুলি করে ও রগ কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শুক্রবার (১১ জুলাই) দুপুর দেড়টার দিকে মহানগরের দৌলতপুর পশ্চিম মহেশ্বরপাশা এলাকার ওই নেতার নিজ বাসার সামনে এ ঘটনা ঘটে।
গত ১৮ ফেব্রুয়ারি খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) ছাত্ররাজনীতি বন্ধের বিষয় ঘিরে দফায় দফায় সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনায় শতাধিক আহতের ঘটনা ঘটে। ওই সংঘর্ষের সময় রামদা হাতে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় যুবদল নেতা মাহবুবুর রহমানের একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। পরের দিন মাহবুবুরকে বহিষ্কার করে যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি।
স্থানীয় বাসিন্দাদের বরাতে পুলিশ জানায়, শুক্রবার দুপুরে বাসার সামনে নিজের প্রাইভেট কার পরিষ্কার করছিলেন মাহবুবুর। এ সময় একটি মোটরসাইকেলে তিনজন দুর্বৃত্ত এসে তাকে গুলি করে। পরে তার মৃত্যু নিশ্চিতে দুই পায়ের রগ কেটে দেয় দুর্বৃত্তরা।
দৌলতপুর থানার ওসি মীর আতাহার আলী বলেন, স্থানীয় বাসিন্দারা গুরুতর আহত অবস্থায় মাহবুবুরকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তার মরদেহ খুলনা মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে রয়েছে।
মহানগর পুলিশের (কেএমপি) উপকমিশনার (উত্তর) মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, আমরা ঘটনাস্থল থেকে পাঁচটি গুলির খোসা পেয়েছি। নিহতের মাথা ও শরীরের বিভিন্ন অংশে গুলি লাগে। এরপর মৃত্যু নিশ্চিতের জন্য পায়ের রগ কেটে দেয়া হয়।
তিনি আরো বলেন, এলাকার আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে আমাদের ধারণা। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে, এমন সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের নাম আমরা পেয়েছি। আমরা যাচাই–বাছাই করছি।