সুন্দরবনে হরিণ শিকারিদের ফাঁদে আটকে পড়া বাঘকে উদ্ধার করল বন বিভাগ

সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম বলেন, বাঘটিকে খুলনায় বন বিভাগের বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের রেস্কিউ সেন্টারে নিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সেখানে চিকিৎসা শেষে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

সুন্দরবনে হরিণ শিকারিদের পেতে রাখা ফাঁদে আটকে পড়া বাঘকে উদ্ধার করেছে বন বিভাগ। ‘ট্রেনকুইলাইজার গান’ দিয়ে ইনজেকশন পুশ করে অচেতন করে বাঘটিকে ফাঁদ থেকে উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধারের পর রোববার (৪ ডিসেম্বর) দুপুর ২টা ৫০ মিনিটে খাঁচায় করে বাঘটিকে সুন্দরবনে থেকে নিয়ে আসাতে দেখা গেছে। উৎসুক জনতার ভিড়ের কারণে দ্রুত বাঘটিকে নিয়ে খুলনার দিকে রওনা হয়েছে বন বিভাগের কর্মীরা।

সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম বলেন, বাঘটিকে খুলনায় বন বিভাগের বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের রেস্কিউ সেন্টারে নিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সেখানে চিকিৎসা শেষে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

এর আগে শনিবার দুপুরের পর বন বিভাগের কাছে খবর আসে লোকালয়কে সুন্দরবন থেকে আলাদা করা শরকির খাল দিয়ে আধা কিলোমিটার ভেতরে হরিণ শিকারের ফাঁদে একটি বাঘ আটকে আছে। জায়গাটি সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের বৈদ্যমারি ফরেস্ট টহল ফাঁড়ির অন্তর্গত বনাঞ্চল।

জানা গেছে, এলাকাটি বাগেরহাটের মোংলা উপজেলার বৈদ্ধমারী ও জয়মনি বাজারের মাঝামাঝি স্থানে। বন বিভাগের কর্মীরা সেখানে গিয়ে বাঘটি আটকে থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হলে উদ্ধারের জন্য ঢাকা থেকে ভেটেনারি সার্জনসহ বিশেষজ্ঞ দল আসে। খুলনা থেকে এসে তাদের সঙ্গে যোগ দেন বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের কর্মকর্তারা। তবে এর মধ্যে বাঘ আটকে থাকার খবর ছড়িয়ে পড়লে সেটিকে দেখতে ভিড় জমায় অগণিত মানুষ। পরে রোববার দুপুরে বাঘটিকে উদ্ধার করা হয়।

বন বিভাগের বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের খুলনা কার্যালয়ের মৎস্য বিশেষজ্ঞ ও স্মার্ট ডাটা কো-অর্ডিনেটর মো. মফিজুর রহমান চৌধুরী বলেন, আনুমানিক আড়াইটার দিকে বাঘটিকে ট্রানকুইলাইজার দিয়ে অচেতন করা হয়। উদ্ধারের পর বাঘটিকে চিকিৎসার জন্য খুলনায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

আরও