আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের প্রধান কার্যালয়ে গতকাল সকাল সোয়া ১০টায় শুরু হয়ে প্রায় ২ ঘণ্টাব্যাপী এ জিজ্ঞাসাবাদ চলে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন দুদকের উপপরিচালক সেলিনা আখতার।

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) দুদকের প্রধান কার্যালয়ে গতকাল সকাল সোয়া ১০টায় শুরু হয়ে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী জিজ্ঞাসাবাদ চলে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন দুদকের উপপরিচালক সেলিনা আখতার।

জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বেরিয়ে সাংবাদিকদের আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, আমাকে এখানে ডাকা হয়েছে, যা জানতে চেয়েছে তার জবাব দিয়েছি। আমি সাধারণ জীবনযাপন করেছি, আমার ইন্টেগ্রিটি নিয়ে প্রশ্ন করার কোনো সুযোগ নেই। আমার জীবনযাপন সম্পর্কে আপনারা জানেন। কেন ডাকা হয়েছিল সে প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, কেন ডাকা হয়েছে, কী উদ্দেশ বুঝে নিন।

আমীর খসরুর বিরুদ্ধে বেনামে পাঁচ তারকা হোটেল ব্যবসা, ব্যাংকে কোটি কোটি টাকার অবৈধ লেনদেনসহ বিভিন্ন দেশে অর্থ পাচার এবং নিজ, স্ত্রী পরিবারের অন্য সদস্যদের নামে শেয়ার ক্রয়সহ জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে। গত ২৩ ফেব্রুয়ারি পাঠানো এক নোটিসে আমীর খসরু মাহমুদ, তার স্ত্রী তাহেরা আলম আত্মীয় গোলাম সরোয়ারকে মার্চ হাজির হওয়ার জন্য বলা হয়। তবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিনি একাই হাজির হয়েছেন।

২০১৮ সালের ১৬ আগস্ট অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নোটিস দিয়েছিলেন দুদকের তত্কালীন পরিচালক কাজী শফিকুল। নোটিসে একই বছরের ২৮ আগস্ট তাকে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদে হাজির হতে বলা হয়েছিল। সেই নোটিসে আমীর খসরু উপস্থিত না হওয়ায় পর একই বছরের ১০ সেপ্টেম্বর হাজির হতে আরেকটি নোটিস পাঠায় দুদক। কিন্তু তিনি নোটিসের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ওই বছরের সেপ্টেম্বর হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। একই বছরের ১০ সেপ্টেম্বর দুদকের জিজ্ঞাসাবাদে হাজির না হয়ে আইনজীবীর মাধ্যমে একটি চিঠি পাঠান তিনি। হাইকোর্টে রিট বিচারাধীন জানিয়ে এর নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কোনো পদক্ষেপ না নিতে সেখানে অনুরোধ করা হয়। পরে একই বছরের ১৬ সেপ্টেম্বর ওই রিট আবেদন বিচারপতি নজরুল ইসলাম তালুকদার বিচারপতি কেএম হাফিজুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চে শুনানির জন্য তোলা হলে তা সরাসরি খারিজ করে দেন আদালত।

আরও