২০২৬ সালের নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের ২০২৫ সালের সিলেবাস অনুযায়ী শিক্ষা বোর্ডের করা অনিয়মিতদের প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেয়া হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার উপজেলার হাজি এমএ ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত বাংলা প্রথমপত্রের বহুনির্বাচনী বা নৈর্ব্যক্তিক পরীক্ষায় এ ঘটনা ঘটে। পরীক্ষা শেষে বিষয়টি জানার পর কলেজে গিয়ে প্রিন্সিপালকে জানালে আমলে না নেয়ার অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থীরা। এ ঘটনায় অভিভাবকসহ সচেতন মহল ক্ষোভ প্রকাশ করেছে।
অভিযোগ যাচাই-বাছাই করার জন্য নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন বান্দরবান জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌস। তিনি বলেন, ‘যাচাই-বাছাই শেষে প্রতিবেদন শিক্ষা বোর্ডে পাঠানো হবে। বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অব্যবস্থাপনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা ও পরীক্ষার্থীদের বিষয়েও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে।’