নারায়ণগঞ্জে শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে নতুন করে গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম (জিপিএস) পদ্ধতিতে সিএস জরিপ মোতাবেক সীমানা নির্ধারণ পিলার স্থাপনের কাজ চলমান রয়েছে। গতকাল দুপুরে সদর উপজেলার সিদ্ধিরগঞ্জ থানার গোদনাইল মৌজায় এ কাজ তদারকি করতে কয়েকটি এলাকা পরিদর্শন করেন নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ বিআইডব্লিউটিএর কর্মকর্তারা। এর আগে গত শুক্রবার গোদনাইল এলাকায় সীমানা পিলার স্থাপন কাজে বাধা দেয় স্থানীয় সন্ত্রাসীরা। যে কারণে গতকাল ভ্রাম্যমাণ আদালতসহ কর্মকর্তারা সেখানে যান।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন বিআইডব্লিউটিএর নারায়ণগঞ্জ নদীবন্দরের যুগ্ম পরিচালক শেখ মাসুদ কামাল, উপপরিচালক মোবারক হোসেন, সহকারী পরিচালক এহতেশামুল পারভেজ প্রমুখ।
নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহাবুব জামিল জানান, স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিআইডব্লিউটিএর কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। পূর্বে যেসব সীমানা পিলার স্থাপন করা হয়েছিল সেগুলোর বেশির ভাগ নিয়েই আপত্তি ছিল। বর্তমানে উচ্চ আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী নদীকে রক্ষা করার জন্য গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম (জিপিএস) পদ্ধতিতে সিএস জরিপ মোতাবেক নতুন করে সীমানা পিলার স্থাপন করা হচ্ছে। যেসব জায়গায় ত্রুটিপূর্ণ পিলার রয়েছে সেসব জায়গায় সীমানা পুনর্নির্ধারণ করে জিপিএস পদ্ধতিতে নতুন করে পিলার স্থাপন করা হচ্ছে।
বিআইডব্লিউটিএর নারায়ণগঞ্জ নদীবন্দরের যুগ্ম পরিচালক শেখ মাসুদ কামাল জানান, পূর্বে স্থাপন করা ৫ হাজার ১১টি সীমানা পিলার নিয়ে আপত্তি থাকায় গণপূর্ত বিভাগ থেকে সেগুলো গ্রহণ করা হয়নি। তাই উচ্চ আদালতের নির্দেশে জিপিএস পদ্ধতিতে ধলেশ্বরী ও শীতলক্ষ্যার উভয় তীরে ১০০ ফুট দূরত্ব রেখে পাইলিংয়ের মাধ্যমে নতুন করে ২ হাজার ৪০০টি সীমানা পিলার বসানো হবে। অত্যাধুনিক পদ্ধতিতে নির্মিত প্রতিটি পিলার
কমপক্ষে ১০০ বছর স্থায়িত্ব হবে।