পাঁচশ ইটভাটা বন্ধের প্রক্রিয়া শুরু করেছি: পরিবেশমন্ত্রী

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী এমপি বলেছেন, ‘ইটভাটা নিয়ে আমাদের এক শ দিনের একটি কর্মসূচী আছে। অবৈধ ইটভাটাগুলোর বিষয়ে আমরা পর্যায়ক্রমে ব্যবস্থা নেব। আমরা প্রাথমিক ভাবে পাঁচ শটি ইটভাটা বন্ধ করে দেবো। এগুলো শুধু বন্ধ নয়; যাতে পরবর্তীতে আর চালু না হতে পারে; সেই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আমাদের পূর্বের অভিজ্ঞতা হচ্ছে, আমরা ব্যবস্থা নেই; ভাটা বন্ধ করি; পরে আবার সেটা চালু করা হয়।’ শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে ফেনীর সার্কিট হাউজে গণমাধ্যম কর্মীদের এক প্রশ্নের উত্তরে এসব কথা বলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী এমপি।

অবৈধ ইটভাটাগুলোর বিরুদ্ধে পর্যায়ক্রমে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে পাঁচশ ইটভাটা বন্ধ করে দেয়া হবে। তবে অতীতে বিভিন্ন অভিযান পরিচালনা করে এ ধরনের ইটভাটা বন্ধ করা হলেও পরবর্তীতে আবার তারা কার্যক্রম শুরু করেছে। এবার যেন পনুরায় চালু হতে না পারে সে ব্যবস্থা  নেয়া হবে। 

শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে ফেনীর সার্কিট হাউজে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের উত্তরে এসব কথা বলেন সাবের হোসেন চৌধুরী।

তিনি বলেন, ‘ফেনীর ইটভাটাগুলো যখন স্থাপন করা হয় তখন আশপাশে বসতি ছিল না। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছিল না। এখন হয়ে গেছে। এসব কারণে ইটভাটাগুলো নবায়ন দেয়া হচ্ছে না। এমতাবস্থায় আমরা ব্লকের প্যাকেজের দিকে যাচ্ছি। আমরা আশা করব এখানে যারা ভাটার মালিক রয়েছেন, তারা সরকার থেকে প্যাকেজ গ্রহণ করে ব্লকের দিকে যাবেন।

সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘কয়টা ইটভাটা আছে; আমরা কয়টা অভিযান পরিচালনা করলাম- এখন আমরা এই আলোচনায় থাকতে চাই না। আমরা চাই সবগুলো ভাটা বন্ধ হয়ে যাক। সবাই আধুনিক পদ্ধতিতে ব্লক তৈরি করুক। ব্লকের দুইটা সুবিধা আছে, একটা হচ্ছে এখানে কৃষি মাটির ব্যবহার হবে না আরেকটা হচ্ছে ব্লক তৈরিতে বায়ু দূষণ হয় না।

নদী দখল দূষণের বিষয়ে অপর একটি প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, ‘সরকার জলাধার রক্ষায় ডিজিটাল ম্যাপিং করছে। এর মাধ্যমে সব নদী, জমি, খাল জলাধার সম্পর্কে সুনিশ্চিত হতে পারব। মনিটরিং ভালোভাবে করতে পারব। দূষণের বিষয়ে আমরা কাজ করছি। কোন স্থানে কি পরিমাণ বর্জ্য তৈরি হয়, আমাদের পৌরসভার সক্ষমতা কি? এসব বিবেচনা করে আমরা বর্জ্য রিসাইকিলিংয়ের ব্যবস্থাপনা করে যাচ্ছি। এসব বিষয় নিয়ে আমরা শুধু সমস্যার কথা বলতে চাই না। সমাধানে কাজ করতে চাই ‘

সময় বন বিভাগের পরিচালক (ভূমি পরিমাপ) আনিস মাহমুদ, ফেনী জেলা প্রশাসক শাহীনা আক্তার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দীন মোহাম্মদ, সামাজিক বন বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা মোহাম্মদ রুহুল আমিন, পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক শওকত আরা কলিসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

আরও