৬ মাসের অন্তঃবর্তীকালীন জামিন পেয়েছেন বিএনপি
মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।
আজ মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) বিচারপতি মো. সেলিম
ও বিচারপতি মো. রিয়াজ উদ্দিন খানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
বিএনপির দুই নেতার পক্ষে আদালতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ
আইনজীবী জয়নুল আবেদীন ও আইনজীবী সগীর হোসেন লিওন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি
জেনারেল এ বি এম গোলাম মোস্তফা।
গত ৮ ডিসেম্বর গভীর রাতে মির্জা ফখরুল ও মির্জা
আব্বাসের বাসায় পৃথক অভিযান চালায় গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। তাদের আটক করে নিয়ে যাওয়া
হয় রাজধানীর মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয়ে। পরদিন দুপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেফতারের
বিষয়টি নিশ্চিত করে ডিবি। তাদের বিরুদ্ধে পুলিশের ওপর হামলায় উসকানি, পরিকল্পনা ও নির্দেশ
দানের অভিযোগ আনা হয়।
এর আগে ৭ ডিসেম্বর বিকেলে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ হয়। এতে একজন গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। আহত হন অনেকে। পরে বিএনপি কার্যালয়ে অভিযান চালানো হলে সেখানে অনেক ককটেল পাওয়ার কথা জানায় পুলিশ। এ ঘটনায় পল্টন থানার উপপরিদর্শক মিজানুর রহমান বাদী হয়ে গত ৮ ডিসেম্বর মামলা করেন। মামলায় ৪৭৩ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত দেড়-দুই হাজার বিএনপির নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়।
এ মামলায় মির্জা ফখরুল, মির্জা আব্বাসসহ বিএনপির
শীর্ষ নেতাদের গ্রেফতার দেখানো হয়। পরে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ও স্থায়ী কমিটির
সদস্য মির্জা আব্বাসের জামিন আবেদন ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) আদালতে তিনবার
নাকচ হয়। এ অবস্থায় হাইকোর্টে তাদের জামিন চেয়ে গতকাল আবেদনটি করা হয়েছে।