নারায়ণগঞ্জে ৫১ দিন পর কিশোরীর ফিরে আসা

তদন্ত কর্মকর্তা ও ওসিকে আদালতে উপস্থিত হয়ে ব্যাখ্যার নির্দেশ

নারায়ণগঞ্জের দেওভোগের কিশোরী ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় ভিক্টিমের ফিরে আসা এবং ১৬৪ ধারায় জবানবন্দির বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তা ও ওসির ব্যাখ্যা চেয়েছেন আদালত। গতকাল দুপুরে নারায়ণগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কাওছার আলম এ আদেশ দেন।

নারায়ণগঞ্জের দেওভোগের কিশোরী ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় ভিক্টিমের ফিরে আসা এবং ১৬৪ ধারায় জবানবন্দির বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তা ও ওসির ব্যাখ্যা চেয়েছেন আদালত। গতকাল দুপুরে নারায়ণগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কাওছার আলম এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে ওই কিশোরীর স্বামী ইকবাল পণ্ডিতের রিমান্ড ও মামলায় স্বীকারোক্তি প্রদানকারী তিন আসামির পি/ডব্লিউসহ জামিন শুনানির দিন ৩১ আগস্ট ধার্য করা হয়েছে।

দুই পুলিশ কর্মকর্তা হলেন সদর থানার (ওসি) আসাদুজ্জামান ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ইন্সপেক্টর আব্দুল হাই। এছাড়া স্বীকারোক্তি প্রদানকারী আসামিরা হলেন আব্দুল্লাহ, নৌকার মাঝি খলিল ও অটোচালক রকিব উদ্দিন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জিসামনি হত্যা মামলার আসামিপক্ষের আইনজীবী মো. রোকন উদ্দিন। তিনি বলেন, ওই কিশোরী ইকবাল পণ্ডিতের সঙ্গে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করে ৫১ দিন ছিল। ওই কিশোরীকে জীবিত উদ্ধারের পর পুলিশ একই মামলায় স্বামী ইকবাল পণ্ডিতকে গ্রেফতার করে পাঁচদিনের রিমান্ডের আবেদন করে। এছাড়া ২৫ আগস্ট তিন আসামির জামিন আবেদন করা হয়।

উল্লেখ্য, শহরের দেওভোগ পাক্কা রোডের বাসিন্দা ওই কিশোরী গত ৪ জুলাই বিকালে বাসা থেকে নিখোঁজ হয়। দীর্ঘদিন খোঁজাখুঁজি করে মেয়ের সন্ধান না পেয়ে এক মাস পর ৬ আগস্ট থানায় অপহরণ মামলা করেন ওই কিশোরীর বাবা। এ ঘটনায় কিশোরীর মায়ের মোবাইল ফোনের কল লিস্টের সূত্র ধরে ৭ ও ৮ আগস্ট পুলিশ একই এলাকার রকিব, আবদুল্লাহ ও খলিল নামে তিনজনকে গ্রেফতার করে, যাদের মধ্যে খলিল নৌকার মাঝি। গ্রেফতারের পর এ তিন আসামি ৯ আগস্ট ধর্ষণের পর হত্যা করে শীতলক্ষ্যা নদীতে মরদেহ ভাসিয়ে দেয়ার কথা স্বীকার আদালতে জবানবন্দি দেয়।

আরও