বঙ্গোপসাগরে ট্রলারডুবি, এখনো নিখোঁজ ৫

পাথরঘাটা থেকে ১০০ কিলোমিটার দূরে আট জেলে উদ্ধার

উদ্ধার হওয়া জেলে ও ট্রলারের বাবুর্চি ইউনুস মোল্লা জানান, সাগরে তখন প্রচণ্ড নিম্নচাপের প্রভাব ছিল। জাল ফেলার প্রস্তুতির সময় কয়েকজন জেলে ট্রলারের ব্রিজের ভেতরে ঘুমিয়ে ছিলেন। হঠাৎ তুফান ও বড় ঢেউয়ের আঘাতে ট্রলারটি উল্টে গেলে ব্রিজের ভেতরে থাকা জেলেদের একজন প্রায় ২০ মিনিট পর বের হতে সক্ষম হন

বরগুনার পাথরঘাটা থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার সময় ১৩ জেলেসহ এফবি বরকত নামে একটি ট্রলার ডুবে গেছে। এ ঘটনায় আট জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও পাঁচজন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।

নিখোঁজ জেলেরা হলেন পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের মোস্তফার ছেলে কাওছার, ইদ্রিসের ছেলে বেল্লাল, চুন্নু মাঝির ছেলে ইব্রাহিম, জাহাঙ্গীর মোল্লার ছেলে নুর আলম এবং শাহাদাত মাঝির ছেলে সাইকুল ইসলাম।

আজ মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী এসব তথ্য জানান।

এর আগে গতকাল সোমবার বেলা ১২টার দিকে গভীর সমুদ্রে বৈরী আবহাওয়ার মধ্যে ট্রলারটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। উদ্ধার হওয়া জেলেদের বরাত দিয়ে গোলাম মোস্তফা চৌধুরী জানান, প্রচণ্ড ঢেউয়ের আঘাতে ট্রলারটি উল্টে গিয়ে ডুবে যায়।

উদ্ধার হওয়া জেলে ও ট্রলারের বাবুর্চি ইউনুস মোল্লা জানান, সাগরে তখন প্রচণ্ড নিম্নচাপের প্রভাব ছিল। জাল ফেলার প্রস্তুতির সময় কয়েকজন জেলে ট্রলারের ব্রিজের ভেতরে ঘুমিয়ে ছিলেন। হঠাৎ তুফান ও বড় ঢেউয়ের আঘাতে ট্রলারটি উল্টে গেলে ব্রিজের ভেতরে থাকা জেলেদের একজন প্রায় ২০ মিনিট পর বের হতে সক্ষম হন। তবে অন্য পাঁচজন বের হতে পারেননি।

ট্রলারটি ডুবে যাওয়ার পর আট জেলে প্রায় দুই ঘণ্টা সাগরে ভেসে ছিলেন। পরে একটি মাছ ধরার ট্রলার তাদের উদ্ধার করে।

নিখোঁজ পাঁচ জেলেকে উদ্ধারে জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির পক্ষ থেকে দুটি ট্রলার সমুদ্রে পাঠানো হয়েছে। ট্রলারে থাকা ১৩ জেলের বাড়িই পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায়।

আরও